পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিশ্বপরিচয় পারি জগৎটার সীমানা পৃথিবী ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছে। কিন্তু কতটা যে দূরে তা কেবল অনুভূতিতে ধরতে পারিনে । সেই দূরত্বের সঙ্গে আমাদের একমাত্র যোগ চোখের দেখ। দিয়ে । সেখান থেকে শবদ তাসে না, কেননা শব্দের বোধ হাওয়ার থেকে । এই হাওয়া চাদরের মতোই পৃথিবীকে জড়িয়ে আছে। এই হাওয়া পৃথিবীর মধ্যেই শব্দ জাগায়, এবং শব্দের ঢেউ চালাচালি করে । পুথিবীর বাইরে ভ্ৰাণ অার স্বাদের কোনো অর্থই নেই । আমাদের স্পৰ্শবোধের সঙ্গে আমাদের তার-একটা বোধ আছে ঠাণ্ড গরমের বোধ । পুথিবীর বাইরের সঙ্গে আমাদের এই বোধটার অন্তত এক জায়গায় খুবই যোগ আছে । সূর্যের থেকে রোদর আসে, রোদর থেকে পাই গরম । সেই গরমে আমাদের প্রাণ । সূর্যের চেয়ে লক্ষগুণ-গরম নক্ষত্র অাছে । তার তাপ আমাদের বোধে পৌছয় না । কিন্তু সূর্যকে তে। অামাদের পর বলা যায় না । অন্ত্য যে-সব অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে এই বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ড, সূর্য তাদের মধ্যে সকলের চেয়ে আমাদের আত্মীয়। তবু মানতে হবে, সূর্য পৃথিবীর থেকে আছে দূরে । কম দূরে নয়, প্রায় ন কোটি ত্রিশ লক্ষ মাইল তার দূরত্ব । শুনে চমকে উঠলে চলবে না । যে ব্রহ্মাণ্ডে আমরা আছি এখানে ঐ দূরত্বটা নক্ষত্ৰলোকের সকলের চেয়ে নিচের -ణా २