পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক প্লেট নিয়ে পরীক্ষায় লাগলেন । এই প্লেটে লাল থেকে বেগনি পর্যন্ত সাতটা রঙের সাড়া পাওয়া গেল । শেষে বেগনি, পেরিয়ে চললেন অন্ধকারে, সেখানে চোখে যা ধরা দেয় না প্লেটে তা ধরা পড়ল। দেখা গেল আলোর উত্তাপটা লাল রঙের দিকে তার রাসায়নিক ক্রিয়া বেগনি-পারের দিকে । এককালে মনে হয়েছিল অ-দেখারা রঙিন দলেরই পাশ্বচর, অন্ধকারে পড়ে গেছে । যত এগোতে লাগল গুপ্ত আলোর সন্ধান, ততই সাতরঙ দলেরই আসন হোলো খাটে। বিজ্ঞানের জরীপে আলোর সীমান। আজ সাতরং-রাজার দেশ ছাড়িয়ে গেছে শতগুণ । লাল-উজানি আলোর দিকে ক্রমে আজ দেখা দিল যে ঢেউ সেই ঢেউ বেয়ে চলে আকাশবাণী, যাকে বলে রেডিয়ো-বার্তা, বেগনি-পারের দিকে প্রকাশ পেল বিখ্যাত র্যণ্টগেন আলো, যে আলোর সাহায্যে দেহের চামড়ার ঢাকা পেরিয়ে ভিতরকার হাড় দেখতে পাওয়া যায়। আলো জিনিসটাতে কেবল যে নক্ষত্রের অস্তিত্বের খবর দেয় তা নয়, ওদের মধ্যে কোন কোন পদার্থ মিলিয়ে আছে, মানুষ সে খবরও আলোর যেন বুক চিরে আদায় করে নিয়েছে। কেমন করে আদায় হোলো বুঝিয়ে বলা যাক । তিনপিঠওয়াল কাচের ভিতর দিয়ে সূর্যের সাদা আলো পার করলে তার সাতটা রঙের পরিচয় পরে পরে বেরিয়ে > ○