পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক গ্যাসীয় জিনিসের আলো সেই গ্যাসেরই অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডী স্তরের ভিতর দিয়ে আসার সময় সম্পূর্ণ শোষিত হয়। এ ক্ষেত্রে আলোর অভাবেই যে কালে দাগের সৃষ্টি তা নয়। বস্তুত সূর্যের বর্ণমণ্ডলে যে সোডিয়ম গ্যাস সূর্যের আলো আটক করে সেও আপন উত্তাপ অনুযায়ী আলো ছড়িয়ে দেয়, আলোকমণ্ডলের তুলনায় উত্তাপ কম ব’লে এর আলো হয় অনেকটা স্নান । এই স্নান আলো বর্ণচ্ছটায় উজ্জল আলোর পাশে কালোর বিভ্রম জন্মায় । মৌলিক জিনিস মাত্রেরই অালো ভেঙে প্রত্যেকটির বর্ণচ্ছটার ফর্দ তৈরি হয়ে গেছে। এই বর্ণভেদের সঙ্গে তুলনা করলেই বস্তুভেদ ধরা পড়বে তা সে যেখানেই থাক, কেবল গ্যাসীয় অবস্থায় থাকা চাই । পৃথিবী থেকে যে ৯২টি মৌলিক পদার্থের খবর পাওয়৷ গেছে সূর্যে তার সবগুলিরই থাকা উচিত ; কেননা পৃথিবী সূর্যেরই দেহজাত । প্রথম পরীক্ষায় পাওয়া গিয়েছিল ৩৬টি মাত্র জিনিস। বাকিগুলির কী হোলে৷ সেই প্রশ্নের মীমাংস। করেছেন বাঙালী বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহা। নূতন সন্ধানপথ বের করে সূর্যে আরো কতকগুলি মৌলিক জিনিস তিনি ধরতে পেরেছেন । র্তার পথ বেয়ে প্রায় সবগুলিরই খবর মিলেছে। আজও যেগুলি গরঠিকানা, মাঝপথেই পৃথিবীর হাওয়া তাদের সংবাদ শুষে নেয় । >Q