পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক সাতটা পেয়াদার সব চিঠিই তাল পাকিয়ে একখানা করা হোত, কোনো স্বতন্ত্র খবরই পাওয়া যেত না । একই চেহারায় সবাইকে দেখাকে দেখা বলে না। না-আলো আর পূর্ণ আলো কোনোটাতেই আমাদের দেখা চলে না, আমরা দেখি ভাঙা তালোর মেলামেশায় । সূর্যকিরণের সঙ্গে জড়ানো এমন অনেক ঢেউ আছে, যারা অতি অল্প পরিমাণে আসে ব’লে অনুভব করতে পারিনে । এমন ঢেউও আছে যারা প্রচুর পরিমাণেই নেমে আসে, কিন্তু পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল তাদের আটক করে । নইলে জলেপুড়ে মরতে হোত । সূর্যের যে পরিমাণ দান আমরা সইতে পারি প্রথম থেকেই তাই নিয়ে আমাদের দেহতন্ত্রের বোঝাপড়া হয়ে গেছে । তার বাইরে তামাদের জীবনযাত্রার কারবার বন্ধ । বিশ্বছবিতে সবচেয়ে যা আমাদের চোখে পড়ে সে হোলো নক্ষত্ৰলোক, আর সূর্য, সেও একটা নক্ষত্র । মানুষের মনে এতকাল এরা প্রাধান্ত পেয়ে এসেছে। বর্তমান যুগে সবচেয়ে মানুষকে আশ্চর্য করে দিয়েছে এই বিশ্বের ভিতরকার লুকানো বিশ্ব, যা অতি সূক্ষ্ম, যা চোখে দেখা যায় ন, অথচ যা সমস্ত স্থষ্টির মূলে । একটা মাটির ঘর নিয়ে যদি পরখ ক’রে বের করতে চাই তার গোড়াকার জিনিসটা কী, তাহলে পাওয়া যাবে ধুলোর 이