পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিশ্বপরিচয় তা পেরিয়ে যেতে পারে না । ইলেকট্রন বাইরের পথ থেকে ভিতরের পথে দর্শন দেয় । কেন দেয় এবং হঠাৎ কখন দেখা দেবে তার কোনো বাধা নিয়ম পাওয়া যায় না । তেজ শোষণ ক’রে ইলেকট্রন ভিতরের পথ থেকে বাইরের পথে লাফিয়ে যায়, এই লাফের মাত্র নির্ভর করে শোষিত তেজের পরিমাণের উপর । ইলেকট্রন তেজ বিকীর্ণ করে কেবল যখন সে তার বাইরের পথ থেকে ভিতরের পথে আবিভূতি হয় । ছাড়া-পাওয়া এই তেজকেই আমরা পাই আলোরূপে । যতক্ষণ একই কক্ষে চলতে থাকে ততক্ষণ তার শক্তি-বিকিরণ বন্ধ । এ মতটা ধরে-নেওয়া একটা মত, কোনো কারণ দেখানো যায় না । মতটা মেনে নিলে তবেই বোঝা যায় পরমাণু কেন টিকে আছে, বিশ্ব কেন বিলুপ্ত হয়ে যায়নি । এই সব কথার পিছনে তুরূহ তত্ত্ব আছে, সেটা বোঝবার অনেক দেরি। আপাতত কথাটা শুনে রাখা মাত্র । পূর্বেই বলেছি বিজ্ঞানীরা খুব দৃঢ়স্বরে ঘোষণা করেছিলেন যে, ৯২টি আদিভূত বিশ্বসৃষ্টির মৌলিক পদার্থ। অতিপরমাণুদের সাক্ষ্যে আজ সে-কথা অপ্রমাণ হয়ে গেল । তবু এখনো রয়ে গেল এদের সম্মানের উপাধিট । l একদা মৌলিক পদার্থের খ্যাতি ছিল যে তাদের গুণের २br