পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক নিত্যতা আছে । তাদের যতই ভাঙা যাক কিছুতেই তাদের স্বভাবের বদল হয় না । বিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায়ে দেখা গেল তাদের চরম ভাগ করলে বেরিয়ে পড়ে তুই জাতীয় বৈদ্যুতওয়ালা কণাবস্তুর জুড়িমৃত্য । যার মৌলিক পদার্থ নামধারী তাদের স্বভাবের বিশেষত্ব রক্ষা করেছে এই সব বৈদ্যুতের বিশেষ সংখ্যায় একত্র হয়ে । এইখানেই যদি থামত তাহলেও পরমাণুদের রূপনিত্যতার খ্যাতি টিকে যেত। কিন্তু ওদের নিজের দলের থেকেই বিরুদ্ধ সাক্ষ্য পাওয়া গেল । একটা খবর পাওয়া গেল, যে, হালক। যেসব পরমাণু তাদের মধ্যে ইলেকট্রন-প্রোটনের ঘোরাঘুরি নিত্যনিয়মিতভাবে চলে আসছে বটে কিন্তু অত্যন্ত ভারি যারা, যাদের মধ্যে নু্যট্রন-প্রোটন সংঘের অতিরিক্ত ঠেসাঠেসি ভিড়, যেমন য়ুরেনিয়ম বা রেডিয়ম, তারা আপন তহবিল সামলাতে পারছে না, সদাসৰ্বক্ষণই তাদের মূল সম্বল ছিটকে পড়তে পড়তে হালকা হয়ে তারা এক রূপ থেকে অন্য রূপ ধরছে । এতকাল রেডিয়ম নামক এক মৌলিক ধাতু লুকিয়ে ছিল স্থল আবরণের মধ্যে । তার আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে পরমাণুর গৃঢ়তম রহস্য ধরা পড়ে গেল। বিজ্ঞানীদের সঙ্গে তার প্রথম মোকাবিলার ইতিহাস মনে রেখে দেবার যোগ্য । যখন র্যণ্টগেন রশ্মির আবিষ্কার হোলো, দেখা গেল তার স্থল বাধা ভেদ করবার ক্ষমতা । তখন হারি বেকরেল ২৯