পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নক্ষত্ৰলোক প্রতিবেশী নক্ষত্রের দূরত্ব পচিশ লক্ষ কোটি মাইল । এর থেকে বোঝা যাবে কী বিপুল শূন্যতার মধ্যে বিশ্ব ভাসছে। আজকাল শুনতে পাই পৃথিবীতে স্থানাভাব নিয়েই লড়াই বাধে । নক্ষত্রদের মাঝখানে কিছুমাত্র যদি জায়গার টানাটানি থাকত তাহলে সর্বনেশে ঠোকাঠুকিতে বিশ্ব যেত চুরমার হয়ে । চোখে দেখার যুগ থেকে এল তরবীনের যুগ। দুরবীনের জোর বাড়তে বাড়তে বেড়ে চলল ত্যলোকে আমাদের দৃষ্টির পরিধি । পূর্বে যেখানে ফাক দেখেছি সেখানে দেখা দিল নক্ষত্রের ঝাক । তবু বাকি রইল অনেক । বাকি থাকবারই কথা । আমাদের নাক্ষত্ৰজগতের বাইরে এমন সব জগৎ আছে যাদের আলো দুরবীন দৃষ্টিরও অতীত। একটা বাতির শিখ ৮৫৭৫ মাইল দূরে যেটুকু দীপ্তি দেয় এমনতরো আভাকে দুরবীন যোগে ধরবার চেষ্টায় হার মানলে মানুষের চক্ষু । তুরবীন আপন শক্তি অনুসারে খবর এনে দেয় চোখে, চোখের যদি শক্তি না থাকে সেই অতিক্ষীণ খবরটুকু বোধের কোঠায় চালান ক’রে দিতে, তাহলে আর উপায় থাকে না । কিন্তু ফোটোগ্রাফ ফলকের অালো-ধরা শক্তি চোখের শক্তির চেয়ে ঢের বেশি স্থায়ী। সেই শক্তির উদবোধন করলে বিজ্ঞান, দূরতম আকাশে জাল ফেলবার কাজে লাগিয়ে দিলে ফোটোগ্রাফ । এমন ফোটোগ্রাফি বানালে যা অন্ধকারে-মুখঢাকা 8 సె