পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিশ্বপরিচয় গ্রহ-বংশের স্মৃষ্টি করে । হয়তো আকাশে নিঃসন্তান নক্ষত্র অল্পই আছে । দ্বিতীয় মত এই যে, বাহিরের একট। চলতি তারা অন্য অার একটা তারার টানের এলাকার মধ্যে এসে পড়ে ঘটিয়েছে এই প্রলয় কাণ্ড। এই মত অনুসারে পৃথিবীর উৎপত্তির অালোচনা পরে করা যাবে । অামাদের নাক্ষত্ৰজগতে যেসব নক্ষত্র অাছে তার নানা রকমের । কেউ বা সূর্যের চেয়ে দশ হাজার গুণ বেশি আলো দেয়, কেউ বা দেয় একশে ভাগ কম । কারো বা পদার্থপুঞ্জ অত্যন্ত ঘন, কারো বা নিতান্তই পাতলা । কারো উপরিতলের তাপমাত্রা বিশ-ত্রিশ হাজার সেন্টিগ্রেড পরিমাণে, কারো বা তিন হাজার সেন্টিগ্রেডের বেশি নয়, কেউ বা বারে বারে প্রসারিত কুঞ্চিত হোতে হোতে আলে। উত্তাপের জোয়ারভাট খেলাচ্ছে, কেউ বা চলেছে একা একা, কারাও বা চলেছে জোড় বেঁধে, তাদের সংখ্যা নক্ষত্রদলের এক-তৃতীয়াংশ । জুড়ি নক্ষত্রেরা ভারাবর্তনের জালে ধরা পড়ে যাপন করছে প্রদক্ষিণের পালা। জুড়ির মধ্যে যার জোর কম, প্রদক্ষিণের দায়টা পড়ে তারই পরে। যেমন সূর্য আর পৃথিবী। অবলা পুথিবী যে কিছু টান দিচ্ছে না তা নয় কিন্তু সূর্যকে বড়ো বেশি বিচলিত করিতে পারে না । প্রদক্ষিণের অনুষ্ঠানটা এক সম্পন্ন করছে পৃথিবীই । যেখানে তুই জ্যোতিষ্ক প্রায় সমান ૭8