আমি। আপনার কন্যার বয়স কত?
স্ত্রী। কুড়ি বৎসর।
আমি। বোধ হয়, আপনার ভুল হইতেছে। কারণ, মস্তকটী দেখিয়া বোধ হইতেছে, উহার বয়স চৌদ্দ পনের বৎসরের অধিক নহে।
এইরূপ কথাবার্ত্তার পর স্ত্রীলোকটা ঘরের বাহিরে আসিয়া এক স্থানে উপবেশন করিল।
স্ত্রীলোকটী বহির্গত হইয়া গেলে, পূর্ব্বোক্ত কর্ম্মচারী আমাকে বলিলেন,—“রহস্য ত উদ্ঘাটিত হইয়া গেল।”
আমি। না, প্রকৃতপক্ষে উহা আরও গভীর হইয়া আসিল। ঐ স্ত্রীলোকটার ভ্রম প্রমাদ ঘটিয়াছে।
কর্ম্ম। কেন? স্ত্রীলোকটী ত স্পষ্টাক্ষরে বলিয়া গেল যে, উহা তাহার কন্যার মস্তক।
আমি। হাঁ। কিন্তু চেষ্টা করিলে ঐরূপ আরও অনেকে আসিয়া বলিতে পারে।
কর্ম্ম। তবে কি স্ত্রীলোকটা আমাদিগের সহিত প্রবঞ্চনা করিল?
আমি। তাহা বলিতে পারা যায় না; পরে দেখিতে পাইবেন।
কর্ম্ম। এক্ষণে কি করা কর্ত্তব্য?
আমি। কোন গতিকে দেহটিকে খুঁজিয়া বাহির করাই আমাদিগের প্রধান কার্য্য।
এই বলিয়া আমি সেইস্থান হইতে প্রস্থান করিলাম।