“আমি তো তোমাদের পূর্ব্বেই বলিয়াছি যে, পাহাড়ের পাদদেশে কি যেন একটী আছে বলিয়া আমার বোধ হইয়াছিল।”
“এখন কি করা কর্ত্তব্য?”
“আচ্ছা, কোনও শব্দ শুনা গেল না, ইহার কারণ কি? পলাইয়া যায় নাই ত?”
“পলাইতে যে পারে নাই, তাহাতে কোনও সন্দেহ নাই। তবুও সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হওয়া উচিত।”
“ভাল, আমাদের একজন একখানি ছুরি লইয়া অগ্রসর হউক।”
“কে যাইতে প্রস্তুত আছ?”
“তুমি যাও না।”
বলা বাহুল্য, আমি চুপ করিয়া পূর্ব্বোক্ত কথোপকথন শুনিলাম। ইহার পরক্ষণেই দেখিলাম, এক ব্যক্তি শাণিত ছুরিকা হস্তে আমার দিকে অগ্রসর হইতেছে। কিয়দ্দূর আগমন করিয়া এই ব্যক্তি বলিয়া উঠিল।—
“এখানে কোন জন্তুরই মৃতদেহ নাই। ব্যাপার গুরুতর। সকলে সাবধান।” তাহার উত্তর আসিল।—
“আচ্ছা, তুমি অগ্রসর হও।”
লোকটীও আমার দিকে আবার অগ্রসর হইতে লাগিল। এরূপ অবস্থায় আর চুপ করিয়া থাকা অনুচিত বিবেচনায় আমি উঠিয়া বসিলাম। যখন বুঝিতে পারিলাম, লোকটী অতি নিকটে আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে, তখন সহসা হস্ত দ্বারা তাহার গলদেশ এরূপ সজোরে চাপিয়া ধরিলাম যে, তাহার আর কথা কহিবার উপায় রহিল না। আমি তখন