আমি। কি! ভূত দেখিয়াছেন?
স্ত্রী। হাঁ মহাশয়।
আমি। কতক্ষণ পূর্ব্বে?
স্ত্রী। দশ মিনিটও গত হয় নাই।
আমি। কোথায়?
স্ত্রী। যখন আমি ষ্টেসনের দরজার নিকট উপস্থিত হই।
আমি। ও কিছু নয়। তোমার মনের আতঙ্ক মাত্র।
স্ত্রী। কখনই নয়।
আমি। আচ্ছা, আমাকে সঙ্গে লইয়া সেইস্থানে চল।
স্ত্রীলোকটী তথাস্তু বলিয়া আমাকে সঙ্গে লইয়া চলিতে লাগিল। অতি অল্পদূর গমন করিতে না করিতেই, বোধ হইল, যেন একটী মনুষ্য আমাদিগের অগ্রে অগ্রে গমন করিতেছে। ইহা দেখিয়া স্ত্রীলোকটা আমার নিকট সরিয়া আসিয়া আস্তে আস্তে বলিল “ওই সেই।”
আমি। কি?
স্ত্রী। ভূত।
আমি। তুমি এইস্থানে দণ্ডায়মান থাক। আমি দেখিয়া আসিতেছি—“উহা কি!”
এই বলিয়া আমি দ্রুতপদে অগ্রসর হইতে লাগিলাম। সঙ্গে সঙ্গে সেই মনুষ্য-আক্বতিও সজোরে চলিতে লাগিল। আমি যতদূর পারিলাম, তাহাকে অনুসরণ করিতে লাগিলাম। এইরূপে কিছুদূর গমন করিবার পর, আমরা উভয়ে একটী সমাধিক্ষেত্রের নিকট আসিয়া উপস্থিত হইলাম। আর স্থির থাকিতে না পারিয়া আমি দৌড়াইতে আরম্ভ করিলাম।