আমি। আছে।
স্ত্রী। এ আমার কন্যা।
আমি। আমারও তাহাই বোধ হয়।
কিয়ৎক্ষণ পরে আমি বলিলাম, “মৃতদেহটীর রহস্য ত দেখিতেছি, উদ্ঘাটিত হইল না!”
আমার কথা শুনিয়া বালিকা কহিল, “আমি সমস্ত অবগত আছি।”
আমি। ভাল, নিকটবর্ত্তী ঐ বৃক্ষতলে চল। সেই স্থানে তোমাদিগের নিকট সমস্ত শ্রবণ করিব।
তখন আমরা সকলে সেই বৃক্ষতলে গমন করিলাম। বলা বাহুল্য, তথায় উপস্থিত হইয়া কিয়ৎক্ষণ বিশ্রাম করিবার পর প্রবীণা স্ত্রীলোকটী বলিতে লাগিলেন, “আমার নাম হামিদা। প্রায় ২০ বৎসর অতীত হইল, কোন ভয়ঙ্কর শত্রুর হস্ত হইতে আমার একমাত্র কন্যা আরেষাকে রক্ষা করিবার অভিপ্রায়ে সাধারণে প্রকাশ করি যে, সে মরিয়া গিয়াছে। এদিকে তাহাকে দূরবর্তী একটী স্থানে কোন আত্মীয়ের নিকট প্রেরণ করা হয়। তাহার এক বৎসর পরে আমার আর একটী কন্যা হয়। তাহাকেও ঐরূপ উপায়ে রক্ষা করিবার সঙ্কল্প করিতেছি, এমন সময় হঠাৎ এক দিবস শত্রুগণ তাহাকে চুরি অনেক চেষ্টা করিয়াও তাহাকে করিয়া লইয়া প্রস্থান করে। প্রাপ্ত হওয়া যায় না। এই অবস্থায় বহু দিবস গত হইয়া যায়। তাহার পর আমি আমার বড় কন্যাকে আনয়ন করিয়া তাহার সহিত এ পর্য্যন্ত নিরাপদে বসবাস করিয়া আসিতেছিলাম। এমন সময় হঠাৎ একদিন সে নিরুদ্দেশ হইয়া পড়িল।