পাতা:বিসর্জন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চর । গোবিন্দ | প্রহরী । গোবিন্দ । নয়ন রায় | চরের প্রবেশ নির্বাসনপথ হতে লয়েছে কাড়িয়া কুমার নক্ষত্ররায়ে মোগলের সেনা ; রাজপদে বরিয়াছে তারে । আসিছেন সৈন্য লয়ে রাজধানী-পানে । চুকে গেল । আর ভয় নাই। যুদ্ধ তবে গেল মিটে । প্রহরীর প্রবেশ বিপক্ষশিবির হতে পত্র আসিয়াছে । নক্ষত্রের হস্তলিপি । শান্তির সংবাদ হবে বুঝি – এই কি স্নেহের সম্ভাষণ । এ তো নহে নক্ষত্রের ভাষা ! চাহে মোর নির্বাসন, নতুবা ভাসাবে রক্তস্রোতে সোনার ত্রিপুরা— দগ্ধ করে দিবে দেশ, বন্দী হবে মোগলের অন্তঃপুরতরে ত্রিপুররমণী ?– দেখি, দেখি, এই বটে তারি লিপি । ‘মহারাজ নক্ষত্রমাণিক্য’ ? মহারাজ ! দেখে সেনাপতি— এই দেখো রাজদণ্ডে-নির্বাসিত দিয়েছে রাজারে নির্বাসনদণ্ড । এমনি বিধির খেলা ! নির্বাসন ! একি স্পর্ধা ! এখনো তো যুদ্ধ শেষ হয় নাই । > @ ©