পাতা:বিসর্জন - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জয়সিংহ, স্থির যদি না থাকিতে পারো, চলে যাও অন্য ঠাই – বুঝেছ নক্ষত্ররায় ! দেবীর আদেশ, রাজরক্ত চাই– শ্রাবণের শেষ রাত্রে । তোমরা রয়েছ তুই রাজভ্রাতা— জ্যেষ্ঠ যদি অব্যাহতি পায়, তোমার শোণিত আছে । তৃষিত হয়েছে যবে মহাকালী, তখন সময় আর নাই বিচারের । নক্ষত্ররায় । সর্বনাশ ! হে ঠাকুর, কাজ কী রাজত্বে ! রাজরক্ত থাকৃ রাজদেহে, আমি যাহা আছি সেই ভালো । রঘুপতি । মুক্তি নাই, মুক্তি নাই কিছুতেই ! রাজরক্ত আনিতেই হবে । নক্ষত্ররায়। বলে দাও, হে ঠাকুর, কী করিতে হবে। রঘুপতি। প্রস্তুত হইয়া থাকো ! যখন যা বলি অবিলম্বে করিবে সাধন ; কার্যসিদ্ধি যতদিন নাহি হয়, বন্ধ রেখো মুখ । এখন বিদায় হও । নক্ষত্ররায় । হে মা কাত্যায়নী ! [ প্রস্থান জয়সিংহ। একি শুনিলাম ! দয়াময়ী মাতঃ, একি কথা ! তোর আজ্ঞা ! ভাই দিয়ে ভ্রাতৃহত্যা ! বিশ্বের জননী —ি গুরুদেব ? হেন আজ্ঞা মাতৃ-আজ্ঞা ব’লে করিলে প্রচার ! 6 Հ