(৫)
পারেন। কিন্তু যদ্যপি আমরা বঙ্গদেশের কোন বাগানে ঐ গাছ দেখিতে পাই, তাহা হইলে ঐ গাছ কোথাহইতে তথায় আসিয়াছে, সেবিষয় অনুসন্ধান করা অতিশয় কঠিন কেননা ঐ গাছের বীজ অন্য বীজের সহিত ও আসিতে পারে, কিম্বা কোন পক্ষী তাহার বাসায় যাইবার সময় ঐ গাছের বীজ সহিত তাহার ডাল ঐ উদ্যানে নিক্ষেপ করিয়া ও যাইতে পারে; ফলতঃ অন্যান্য শত শত কারণে উক্ত বাগানে ঐ বীজ আসিতে পারে, এবং সেজন্যই কি প্রকারে ইহা ঐ বাগানে আসিয়াছে, তদ্বিষয় অনুসদ্ধান করা নিতান্ত অসম্ভব। ওলাউঠা রোগের পক্ষেও ঐরূপ। যদ্যপি ইহার সমুদায় তত্ত্ব জানিতে ইচ্ছা করি, তাহা হইলে যেদেশে ঐ রোগ কেবল সময়ে সময়ে আবির্ভূত হয়, সেই স্থলে ইহার অনুসন্ধান করিতে সমর্থ হই। এবং ঐ অনুসন্ধানের মর্ম্ম বঙ্গদেশের পক্ষে ও প্রকৃত সত্য ঘটনা বলিয়া অনুসন্ধান করা যাইতে পারে। যদ্যপি আমরা ইংলণ্ড হইতে এই নিম্ব বৃক্ষ সমূলেবিনাশ করিতে চেষ্টাকরি, তবে যাহাতে উহার বীজ ভারতবর্ষ হইতে তথায় যাইতে না পারে, তাহার চেষ্টা পাইলেই তদ্বিষয়ে কৃত কার্য্য হইতে পারি। এবং সেইরূপ যদি ভারত বর্ষ হইতে ঐ বৃক্ষের মূলোৎপাটন করিতে পারা যায়, তাহা হইলেই ইহার উৎপন্ন সর্ব্বতোভাবে ধ্বংস হয়। কিন্তু ইংলণ্ড দেশে ঐরূপ চেষ্টা করা ভারতবর্ষ অপেক্ষা অতি সহজ।
বিসূচিকা রোগের উৎপত্তির কারণ।
বিসূচিকা রোগের ইতিহাস পাঠে অবগত হওয়া যায়, বিসূচিকা রোগাক্রান্ত কোন ব্যক্তি অথবা তৎসম্বন্ধীয় কোন বস্ত্রাদি, কোন নগরে বা গৃহে উপস্থিত না হইলে ভারতবর্ষ বহিঃস্থিত মনুষ্যেরা কখন এ রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয় নাই। ভারতবর্ষের ন্যায় পৃথিবীর অন্যান্য দেশের লোকেরা যদিও পান আহারাদি দ্বারা জীবন যাত্রা সমভাবে নির্ব্বাহ