পাতা:বৃহত্তর তাম্রলিপ্তের ইতিহাস - যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো).pdf/৪

উইকিসংকলন থেকে
Jump to navigation Jump to search
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্যের অধ্যাপক, ডা: আশুতোষ ভট্টাচার্য মহাশয়ের উৎসাহ আমায় অনেক প্রেরণা যোগিয়েছে। বিখ্যাত ফটোগ্রাফার ধুনীল জান৷ পুথির আলোক চিত্রগুলি বিনামূল্যে তুলে দিয়েছেন। তাকে আযার অস্তরের আস্তরিক অভিনম ঙ্গানাই। অন্যান্য ধাদের কাছ থেকে সাহায্য পেয়েছি স্বতন্ত্রভাবে এই পুস্তকে ঠাদের নাম উল্লেখ করেছি। উড়িমাথাত্রী অজিত ও চিত্ত ভাই-এর নাম বহুদিন মনে থাকবে। আমার নিজের সংগ্রহ থেকেই অধিকাংশ পুরাবস্তর আলোকচিত্র এই পুস্তকে মুজিত হোল। অম্য হু’একজনের সংগৃহীত যে টুএকটি আলোকচিত্র এতে সন্নিবেশিত হয়েছে, ত| সংগ্রাহকদের অন্বয়টি নিয়ে তবেই প্রকাশ করা হোল। চেষ্টা করেছিলাম অনেক কিন্তু তবুও এই পুস্তককে নিড় লভাবে ছাপ। গেল না। মারাত্মক ভুল না হলেও কতকগুলি বানান ভুল থেকে গোল। এজন্য আমরা সতিা হুঃখিত ও লজিকত। সন্ধ্যায় সুধী পাঠকবৃন এই পুস্তক সম্পর্কে যদি কিছু উপদেশ, মতামত, তথ্য আমাঘ জানান এবং সে সব ভুল। ৬াদের চোখে পড়বে ত৷ জ্ঞাড করান, তাহলে পরবর্তী সংস্করণে সেগুনি। যথাযথভাবে কৃতজ্ঞতা সহকারে তাদের সে ণের কথা স্বীকার করব। দৈনিক বস্তুমতীর সম্পাদক কথাপ্রসংগে বলেছিলেন—"|ম্রলিপ্ত সম্পর্কে অনেক কথা শুনি কিন্তু এ সম্পর্কে কোন গ্রামাণ্য পুস্তক নাই, যদি আপনি লিখেন, তাহলে দেশ অনেক উপকূত হবে।” মাননীয় বিবেকানন বাবুর। একথা সত্য হলেও আমি যে দেশবাসীর গ্রাম তৃষ্ণাকে পরিতৃপ্ত করতে পেরেছি। একথা মনে হয় না, তবে পরবর্তী কোন ঐতিহাসিক যদি এইসব মান-মসলা। নিয়ে ও আরো অনুসন্ধান করে বই লিখেন, তাহলে একদিন তাম্রলিপ্তের পূর্ণ ইতিহাস লেখা হস্তুত সম্ভব হতে পারে। বরগোদ পো—শ্ররামপুর ভায়াময়না, মেদিনীপুর। যুধিষ্ঠির জানা (মালীবুড়ো)