পাতা:বেতালপঞ্চবিংশতি.pdf/১৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
১৬৫
১৬৫
বেতালপঞ্চবিংশতি

দিলে তিনি তাঁহাদের বাক্যে বিশ্বাস করিয়া অস্বীকার করিলেন। তখন রত্নদত্ত সৈন্যাধ্যক্ষ বলভদ্রবর্ম্মার সহিত আপন কন্যার বিবাহ দিল।

এক দিবস রাজা নগরভ্রমণে নির্গত হইয়া সেনাপতির বাটীর নিকটে উপস্থিত হইলেন। তৎকালে উন্মাদিনী মনোহর বেশ ভূষা করিয়া অট্টালিকার উপরিভাগে দণ্ডায় মান ছিল। রাজা উন্মাদিনীকে নয়নগোচর করিয়া মোহিত ও উন্মত্তপ্রায় হইয়া তৎক্ষণাৎ প্রত্যাগমন করিলেন। রাজাকে সহসা প্রত্যাগত ও বিচেতন দেখিয়া এক প্রিয় পার্শ্বচর জিজ্ঞাসা করিল মহারাজ কি নিমিত্তে আজি আপনাকে চলচিত্ত দেখিতেছি। রাজা কহিলেন অদ্য বলভদ্রের ভবনে এক স্ত্রী দেখিলাম তাহার লোকাতীত রূপ লাবণ্য দর্শনে আমার মন মোহিত হইয়াছে ও আমি এইরূপ বিকল হইয়াছি।

পার্শ্বচর কহিল মহারাজ যাহাকে নিরীক্ষণ করিয়াছেন সে রত্নদত্তের কন্যা। তাহার নাম উন্মাদিনী। আপনি অস্বীকার করতে সেনাপতি বলভদ্রের সহিত তাহার বিবাহ হইয়াছে। রাজা কহিলেন আমি যাহাদিগকে ঐ কন্যার লক্ষণ দেখিতে পাঠাইয়াছিলাম বুঝিলাম তাহারা প্রতারণা করিয়াছে। অনন্তর দৌবারিক দ্বারা তাহাদিগকে আহ্বান