পাতা:বেতালপঞ্চবিংশতি.pdf/৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৪৮
৪৮
বেতালপঞ্চবিংশতি

সৎকুলজাত জানিয়া আনন্দিত হইয়া কহিলেন বৎস যদি তুমি স্বীকার কর তোমার সহিত আমার মধুমালতীর বিবাহ দি। বিপ্রতনয় মধুমালতীর লোকাতীত লাবণ্য দর্শনে মুগ্ধ হইয়া বিপ্রপত্নীর প্রস্তাবে সম্মত হইলেন এবং ব্রাহ্মণের প্রত্যাগমনপ্রতীক্ষায় তদীয় আবাসে বাস করিতে লাগিলেন।

কতিপয় দিবসের পর ব্রাহ্মণ ও তাঁহার পুত্ত্র উভয়ে মধুমালতীপ্রদানে সত্যবন্ধ করিয়া এক এক পাত্র লইয়া প্রবাস হইতে প্রত্যাগমন করিলেন। তিন পাত্র একত্র হইল। একের নাম ত্রিবিক্রম দ্বিতীয়ের নাম বামন তৃতীয়ের নাম মধুসূদন। তিন জনই রূপ গুণ বিদ্যা বয়ঃক্রমে তুল্য কোন ক্রমেই ইতর বিশেষ করিতে পারা যায় না। তখন ব্রাহ্মণ অত্যন্ত বিপদ্‌গ্রস্ত হইয়া চিন্তা করিতে লাগিলেন এক কন্যা তিন বর উপস্থিত, কি উপায় করি। তিন জনেই তিন জনের নিকট প্রতিশ্রুত হইয়াছি। এক্ষণকার কর্ত্তব্য কি।

ব্রাহ্মণ এইপ্রকার চিন্তা করিতেছেন এমন সময়ে ব্রহ্মাণী আসিয়া কহিলেন তুমি এখানে নিশ্চিন্ত বলিয়া কি ভাবিতেছ সর্পাঘাতে মধুমালতী প্রাণত্যাগ করিল। তখন কেশবশর্ম্মা ব্যস্ত সমস্ত হইয়া চারি পাঁচ জন বিষবৈদ্য আনাইয়া অযেশপ্রকার চিকিৎসা করাইলেন। কিন্তু কোন প্রকারেই প্রতীকার দর্শিল না। বিষবৈদ্যেরা কহিল মহাশয় আপনকার কন্যাকে