পাতা:বেতালপঞ্চবিংশতি.pdf/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৫৮
৫৮
বেতালপঞ্চবিংশতি

স্বামী মূক বধির পঙ্গু অন্ধ কাণ খঞ্জ কুব্জ কুষ্ঠী যেরূপ হউন তাঁহাকে সন্তুষ্ট রাখিতে পারিলে নারী যেরূপ চরিতার্থতা প্রাপ্ত হয় শাস্ত্রবিহিত দান ধ্যান ব্রত তপস্যাদি দ্বারা তাদৃশ হয় না। আর যদি স্বামীর প্রতি অনাদর করিয়া পারলৌকিক সুখসম্ভোগ লেভে নানা ধর্ম্ম কর্ম্মের অনুষ্ঠান করে তাহার সে সকল নিষ্ফল ও অন্তে অধোগতির কারণ হয়। অতএব আমার পুত্ত্র পৌত্রে প্রয়োজন কি তোমার চরণশুশ্রূষা করিলেই উভয় লোকে নিস্তার পাইব। তাহার পুত্ত্র কহিল হে পিতঃ যে ব্যক্তি স্বামিকার্য্যসম্পাদনে সমর্থ তাহারই জন্ম সার্থক এবং সেই স্বর্গলোকে অনন্ত কাল সুখসম্ভোভ করে। অতএব আর কি নিমিত্তে সংশয়ে কালহরণ করিতেছেন কার্য্যসাধনে তৎপর হউন। বিলম্বে কার্য্যহানিসম্ভাবনা।

ইত্যাকার নানাপ্রকার কথোপকথনান্তে বীরবর সপরিবারে দেবীর মন্দিরোদ্দেশে গমন করিল। রাজা এই রূপে বীরবরের সপরিবারের প্রভুভক্তির প্রবলতা ও অচলতা দেখিয়া অত্যন্ত চমৎকৃত ও আহ্লাদিত হইলেন এবং মনে মনে অগণ্য ধন্যবাদ প্রদানপূর্ব্বক গুপ্ত ভাবে তাহার পশ্চাৎ পশ্চাৎ চলিলেন। কিয়ৎ ক্ষণ পরে বীরবর দেবীর মন্দিরে উপস্থিত হইল এবং গন্ধ পুষ্প ধূপ দীপ নৈবেদ্য আদি