পক্ষীগুলি শূন্যে বৃত্তাকারে ভিক্টোরিয়ার চতুর্দ্দিকে ঘুরিতে লাগিল। বৃত্ত ক্রমেই ক্ষুদ্র হইতে লাগিল।
ফার্গুসন আরো উপরে উঠিলেন।
পক্ষীরাও ঊর্দ্ধে উঠিতে লাগিল।
কেনেডি কহিলেন—“মারি।”
“না না কেনেডি—মের না। তা’ হ’লে ওরা নিশ্চয়ই বেলুনের উপর পড়বে।”
“তাতে ক্ষতি কি! আমার গুলির অভাব নাই। সব গুলো পাখীই মেরে দিচ্ছি। একটু দাঁড়াও না।”
“ধৈর্য্য ধর, ডিক্। গুলি করার জন্য প্রস্তুত হ’য়ে থাক। আমি না বল্লে মের না।”
পক্ষীগণ ততক্ষণ বেলুনের নিকটে আসিয়াছিল। উহাদের রঞ্জিত চূড়া, শ্বেত পক্ষ রৌদ্রে অতিশয় উজ্জ্বল দেখাইতেছিল। ফার্গুসন্ বলিলেন—“দেখছ না, ওরা অনুসরণ কচ্ছে।”
কেনেডি হাসিয়া কহিলেন—
“১৪ টা ত পাখী দেখছি। তুমি অত ভাবছ কেন, ভাই! ওদের যদি মারতে না পারি, তবে আমার শিকারী নাম বৃথা!”
“তোমার সন্ধান যে অব্যর্থ তা’ জানি। মনে কর, ওরা যদি বেলুনের মাথা আক্রমণ করে, তুমি ত তা’ হ’লে দেখতেই পাবে না। মারবে কেমন করে? ধারালো ঠোট দিয়ে ওরা বেলুনের রেশমের আবরণটা ছিঁড়ে ফেলবে। ভাব দেখি একবার! আমরা যে ৮০০০ ফিট উপরে আছি ডিক্!”