বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ - রাজেন্দ্রলাল আচার্য (১৯২৫).pdf/৭০

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।
৬৪
বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ

 কেনেডি আপন বন্দুক তুলিয়া লইলেন।

 ফার্গুসন্ কহিলেন “রাখ—রাখ— বন্দুক রাখ।” তিনি আকাশের দিকে অঙ্গুলি নির্দ্দেশ করিয়া বলিলেন, “ওই দেখ।”

 “কি দেখব?”

 “আকাশে চন্দ্র দেখছ না?”

 চন্দ্রদেব তখন নির্ম্মল আকাশতল আলোকিত করিয়া ধীরে ধীরে উঠিতেছিলেন।

 কাফ্রিগণ গর্জ্জন করিয়া উঠিল। আকাশে কখনো দুইটা চন্দ্র দেখা যায় না। সুতরাং তাহারা যে প্রতারিত হইয়াছে, ইহা বুঝিতে তাহাদের আর বিলম্ব হইল না। পলায়মান প্রতারকদিগকে শাস্তি দিবার জন্য তাহারা রোষদীপ্ত হইয়া উঠিল। কেহ ধনুকে শর সংযোগ করিল, কেহ বা বন্দুক উঠাইল। একজন যাদুকর ইঙ্গিতে সকলকে শান্ত হইতে বলিয়া বেলুনের নোঙ্গরটি ধরিবার জন্য বৃক্ষোপরি আরোহণ করিতে লাগিল।

 জো দড়ি কাটিবার জন্য অস্ত্র উঠাইল।

 ফার্গুসন্ কহিলেন- “থাম।”

 “কাফ্রিটা যে উঠছে—”

 “উঠতে দাও। নোঙ্গরটা বাঁচাতে পারি কি না দেখি। কাটার ঢের সময় পাওয়া যাবে। ঠিক—হুসিয়ার! গ্যাস ঠিক আছে?”

 “আছে।”

 যাদুকর নোঙ্গরের নিকটবর্ত্তী হইল দেখিয়া কাফ্রিগণ উল্লাসে