পাতা:বৈকালী-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গ্রাহ পাঠ পান্থ পাখীর রিক্ত কুলায় আমি কান পেতে রই ডালে । সকালবেলায় নিল সে বিদায় সাগরতীৰ্থগামী গিরির অন্তরালে । ঘর-ফেরা যত ডানার শবা গুণি, শেষ হয়ে যায়, আর কিছু নাহি শুনি ; সন্ধ্যাতারার মন্ত্রজপের সময় ঘনায়ে এল দিনের বিদায়কালে ॥ চন্দ্রমা দিল রোমাঞ্চে চঞ্চলি’ তরঙ্গ সিন্ধুর। বনচ্ছায়ার রন্ধে রন্ধে মাণিক্য পড়ে গলি’ জ্যোৎস্নার বিন্দুর। স্বপ্তিবিহীন অসীম শূন্যতা যে সকল প্রহর হুহুঙ্কারিয়া বাজে বক্ষে আমার ; বৈরাগী এই রাতের হাওয়ার স্বরে পল্লবকলতালে | লক্ষণীয় এই যে, ছন্দোভেদ ঘটিয়াছে, কতকগুলি ছত্রে মাত্রাসংখ্যা বাড়াইয়া স্তবকের ছাদও বদল করা হইয়াছে। এই পরিবর্তিত রচনার কাল ২৭ অগস্ট, বা ১১ ভাত্রের পরে কিন্তু ৭ কাতিক ১৩৩৪ তারিখের পূর্বে। অর্থাৎ, ১১ ভাদ্র-৭ কাতিক ১৩৩৪ । এই গীতিকবিতার সর্বশেষ পদ, এ সম্পর্কে ২৬-সংখ্যক পাদটীকা বিশেষ দ্রষ্টব্য । পরবর্তী আলোচনা যে কবিতা বা গান লইয়া, তাহার উদ্ভবের ও ক্রমপরিণতির ইতিহাস বিচিত্র। দ্বিতীয়, বিশেষতঃ তৃতীয় স্বচীপত্রে (পৃ 19 ও 143 / পারম্পর্বে ১০ ও ৪৭), যেমন ইহার উল্লেখ, তেমনি ত্রয়োদশ ও ত্রয়োবিংশ টীকায় ইহার বিষয় বলা হইয়াছে। ২৭-সংখ্যক রবীন্দ্রপাণ্ডুলিপির ‘19 পৃষ্ঠার পাঠ উদ্ধার করা যায় নাই তবে এটুকুই অনুমান করা চলে যে, এই পাঠ প্রবাসী’-পাণ্ডুলিপির অনুরূপ ( বর্তমান গ্রন্থে ‘২৯ সংখ্যায় সেই পাঠই দেখা যায় ), পক্ষান্তরে ইহার বীজরুপ কী ছিল এবং পরে পরে কী পরিবর্তন হইল সুস্পষ্ট রবীন্দ্ৰলেখাঙ্কনে বিধৃত। १५ी }}}