পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Y o 8 বৌ-ঠাকুরাণীর হাট চারিদিক দেখিতেন, একবার বিছানায় যাইতেন, দেখিতেন—কেহ আছে কি না! যে উদয়াদিত্য সমস্ত দিন শত শত ক্ষুদ্র কাজে ব্যস্ত থাকিতেন, দরিদ্র প্রজারা তাহাদের ক্ষেতের ও বাগানের ফল মূল শাক সবজি উপহার লইয়া তাহার কাছে আসিত, তিনি তাহদের জিজ্ঞাসা পণ্ড। করিতেন, তাহদের পরামর্শ দিতেন ; আজ কাল আর সে সব কিছুই করিতে পারেন না, তবুও সন্ধ্যাবেলীয় শ্রান্ত হইয়া পডেন—শ্রাস্তপদে শয়নালয়ে আসেন, মনের মধ্যে যেন একটা আশা থাকে যে, সহসা শয়নকক্ষের দ্বার খুলিলেই দেখিতে পাইব—সুরমা সেই বাতায়নে বসিয়। আছে। উদয়াদিত্য যখন দেখিতে পান, বিভা একাকী স্নান মুখে ঘুরিয়; বেড়াইতেছে, তখন তাহার প্রাণ কাদিয়া উঠে। বিভাকে কাছে ডাকেন, তাহাকে আদর করেন, তাহাকে কত কী স্নেহেব কথা বলেন, অবশেষে দাদার হাত ধরিয়া বিভা কাদিয়া উঠে, উদয়াদিত্যেরও চোখ দিয়া জল পড়িতে থাকে ! একদিন উদয়াদিত্য বিভাকে ডাকিয়া কহিলেন, “বিভা, এ বাড়িতে আর তোর কে রহিল ? তোকে এখন শ্বশুর-বাডি পাঠাইবার বন্দোবস্ত করিয়া দিই। কী বলিস্ ? আমার কাছে লজ্জ; করিস না বিভা! তুই আর কার কাছে তোর মনের সাধ প্রকাশ করিবি বল ?” বিভা চুপ করিয়া রহিল। কিছু বলিল না। এ কথা কি স্নার জিজ্ঞাসা করিতে হয় ? পিতৃ-ভবনে কি আর জুহ্বার থাকিতে ইচ্ছা করে ? পৃথিবীতে যে তাহার একমাত্র জুড়াইঞ্জস্থল আছে, সেইখানে—সেই চন্দ্রদ্বীপে যাইবার জন্ত তাহার প্রাণ অস্থির হইবে না ত কী ? কিন্তু তাহাকে লইতে পৰ্য্যন্ত টিও ত লোক আসিল না! কেন আসিল না ? বিভাকে শ্বশুরবাড়ি পাঠাইবার প্রস্তাব উদয়াদিত্য একবার পিতার ब्लिकई উত্থাপন করিলেন। প্রতাপাদিত্য কছিলেন, “বিভাকে শ্বশুরবাড়ি ###हेड আমার কোন আপত্তি নাই ! किरूँ তাহামের ীি 曹