পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ృ\లిy বৌ-ঠাকুবাণীৰ হাট হইতেছে, একবাবে৷ তুমি খাটে বসে নাই। এ দুদিন কি তবে ভূমিতেই আসন কবিযাছ ?" বলিযা বিভা কাদিতে লাগিল। উদয়াদিত্য ধীৰে ধীবে কহিলেন, “খাটে বসিলে আমি যে আকাশ দেখিতে পাই ন বিভা ৷ জানালাব ভিতৰ দিয়। আকাশের দিকে চাহিয। যখন পার্থীদেব উডিতে দেখি, তখন মনে হয, আমাবো একদিন গচ ভাঙিবে, আমিও একদিন ঐ পাপীদেব মতো ঐ অনস্থ আকাশে প্রাণেব সাধে সশতাব দিযা বেড়াইব । এ জানালা হইতে যখন সবিয যাই, তখন চারিদিকে অন্ধকাব দেখি, তখন ভুলিষা যাই যে, অমাব একদিন মুক্তি হইবে, একদিন নিষ্কৃতি হইবে, মনে হয না জীবনেব বেড়ী একদিন ভাঙিয়া যাইবে, এ কাবাগাব হহতে একদিন খালস পাইব । বিভা এ কাবাগীবের মধ্যে এই দুই হাত জমি আছে, যেখানে আসিলেই আমি জানিতে পাবি যে, আমি স্বভাবতই স্বাধীন , কোনো বাজ মহাবাজ৷ আমাকে বন্দী কবিতে পাবে না। অব ঐ খানে ঐ সবেব মধ্যে ঐ কোমল শয্যা, ঐ খানেই আমাব কাবাগাব।" আজ বিভাকে সহসা দেখিযা উদযাদিত্যেব মনে অত্যন্ত খানন্দ হইল ..ৰিভা যখন তাহাব চক্ষে পড়িল, তখন তাহাব/কাবাগাবেব সমুদয় দ্বাব যেন মুক্ত হইয়া গেল। সে দিন তিনি বিভাকে কাছে বসাইযা আনন্দে এত কথা বলিয়াছিলেন যে, কাব-প্রবেশেব পূৰ্ব্বে বোধ কবি এত কথা কখনো বলেন নাই। বিভা উদয়দিত্যেব সে আনন্দ মনে মনে বুঝিতে গাবিয়াছিল। জানি না, এক প্রাণ হইতে অব এক প্রাণে কী কবিয় বার্তা যায, এক প্রাণে তবঙ্গ উঠিলে আব এক প্রাণে কী নিয়মে তবঙ্গ উঠে ৯ে বিভাব হৃদয় পুলকে পরিয়া উঠিল। তাহাব অনেক দিনেব উক্ষেপ্ত জাজ সফল হইল। বিভা সামান্ত বালিক, উদম্বাদিত্যকে লে যে *"দিতে পারে অনেক দিনেৰ পর ইহা সে সহসা আজ যুধিতে *ঙ্গ জয়ে সে বল পাইল। এত নি সে চারিদিকে অন্ধকাৰ