পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বৌ-ঠাকুবাণীব হাট S\లిఫ్ দেখিতেছিল, কোথাও কিনাবা পাইতেছিল না, নিবাশাব গুরুভাবে একেবাবে নুত হইষা পডিাছিল। নিজেব উপব তাগব বিশ্বাস ছিল না, অনববত সে উদযাদিত্যেব কাজ কবিত, কিন্তু বিশ্বাস কবিতে পালিত না যে, তাহাকে সুখী কবিতে পাবিব। আজ সে সহসা একটা পথ দেখিতে পাইয়াছে, এতদিনকবি সমস্ত শ্রীস্তি একেবাবে ভুলিয। গেল। আজ তাহাব চোখে প্রভাতেব শিশিবের মতে অশ্রুজল দেখা দিল, আজ তাহাব অধবে অকণ কিবণেব নিৰ্ম্মল হাসি ফুটিয উঠিল । বিভাও প্রায কারাবাসিনী হঈষা উঠিল। গৃহেব বাতাযনেব মধ্য দিষ যখনি প্রভাত প্রদেশ জ্ববিত, কাবাদ্বলে খুলিযা গিযা তখনি বিভাব বিমল মৃত্তি দেখা দিত। বিভা ভোগী ভূত্যদেব কিছুই কবিতে দিত না, নিজেব হাতে সমুদাষ কাজ কবিত, নিজে আস্তাব আনিষা দিত, নিজে শয্যা বচনা কবিয়া দিত। একটি টিলাপাপী আনিয। ঘবে টাঙাইয়। দিল ও প্রতিদিন সকালে অন্তঃপুবেব বাগান হইতে ফুল তুলিয। আনিষ। দিত। ঘবে একখানি মহাভাবত ছিল, উদযাদিত্য বিভাকে কাছে ৰণাইৰ ' তাহাই পডিয। শুনাইতেন । किड्ड उनयग्रिडाँ মনেব ভিতবে একটি কষ্ট জাগিষা আছে । তিনি ত ডুবিতেই বসিয়াছেন, তবে কেন এমন সমযে এই অসম্পূর্ণ সুখ, অতৃপ্তআশ। স্বকুমাব বিভাকে আশ্রযস্বৰূপে আলিঙ্গন কবিয, তাহাকে পৰ্য্যন্ত ডুবাইতেছেন ? প্রতিদিন মনে কবেন, বিভাকে বলিবেন, “তুই যা বিভা ৷” কিন্তু বিভা যখন উষার বাতাস লইয়। উষrব আলোক লইষা তরুণী উঘাব হাত ধরিষা কাবাব মধ্যে প্রবেশ কবে, যখন সেই চেহেব ধন হুকুমার মুখখানি লইয়। কাছে অস্যিা বসে, কত যত্ন কত আদবেব দৃষ্টতে তাহার মুখেৰ দিকে একবাব চাহিয়া দেখে, কণ্ঠটি স্বৰে কত কথা জিজ্ঞাসা করে, তখন তিনি আব কোনো মতেই প্রাণ আৱিযা বলিতে পাবেন না, “বিভা, তুই যা, তুই আব আসিল না, তোকে জাব দেখিব