পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/১৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


you | বৌ-ঠাকুরাণীর হাট পঞ্চত্রিংশ পরিচ্ছেদ উদয়াদিত্য ও বিভার যাত্রাব উদ্যোগ হইতে লাগিল। বিভ। মাযেৰ গলা ধরিয়া কাদিল । অন্তঃপুবে যে যেখানে ছিল, শ্বশুবালয়ে যাইবাব আগে সকলেই বিভাকে নানা প্রকার সদুপদেশ দিতে লাগিল । মহিষী একবাব উদয়াদিত্যকে ডাকিয়া পাঠাইলেন—কহিলেন,“বাব, বিভাকে তো লইয়া যাইতেছ, যদি তাহাব। অযত্ন করে!” উদষাদিত্য চমকিযা উঠিযা কহিলেন, “কেন মা, তাহাব। অযত্ব করিৰে কেন ?” মহিষী কহিলেন, “কী জানি তাহাবা যদি বিভার উপব স্বাগ কবিয থাকে !” উদয়াদিত্য কহিলেন—“না, মা, বিভা ছেলেমানুষ, বিভার উপর কি তাহারা কখন বাগ কবিতে পাবে ?” মহিষী কাদিযা কহিলেন—“বাছ, সাবধানে লইয়া যাইও, যদি তাহারা অনাদর কবে, তবে অাব বিভা বঁচিবে না !” উদয়াদিত্যের মনে একটা আশঙ্ক জাগিয়া উঠিল। বিভাকে যে শ্বশুরালয়ে অনাদর করিতে পারে, আগে তাহ। তাহার মনেই হষ নাই। উন্নয়াদিত্য মনে করিয়াছিলেন, তাহার কৰ্ম্মফল সমস্তই বুঝি শেষ হইয়া গিয়াছে—দেখিলেন এখনো শেষ হয় নাই। বিভাকে তিনি আশ্রয় করিয়াছেন, জাহার পরিণামস্বরূপে বিভাব অদৃষ্টে কী আছে তা কে জানে । पाशानुगम्। উদয়াদিত্য ও বিভা মাকে আসিয়া প্রণাম করিলেনপাছে স্বাত্রীর বিশ্ন হয়, মহিষী তখন কাদিলেন না, তাহাবা চলিয়। যাইতেই তিনি জুমে লুটাইয়া পড়িয়া কাদিতে লাগিলেন। উদয়াদিত্য ও ৰিভা পিতাকে প্রণাম করিয়া আসিলেন,বাড়ির অন্যান্ত গুরুজনদের প্রণাম