পাতা:বৌ-ঠাকুরাণীর হাট-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.djvu/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Գեր বৌ-ঠাকুরাশীর হাট তোকে বধিয়াছে, তুই আমার নাম কবি । প্রতাপ জানে, এক কালে বসন্থায় বলিষ্ঠ ছিল, সে তোব কথ। বিশ্বাস করিবে ।” সীতারাম, প্রতাপ দিত্যের কাছে কী জবাব দিবে, এতক্ষণ ধরিয়। তাহাই ভাবিতেছিল। এ সম্বন্ধে উদযাদিত্যেব নাম কবিতে কোন মতেই তাহাব মন উঠিতেছিল না। সে একট। বাক প। তিনচোখে তালবৃক্ষাকৃতি ভূতকে আসামী কবিবে বলিখ। একবাব স্থির কবিযাছিল, কিন্তু বসন্তরাষকে পাইয়। নিরপরাধ ভূতটাকে খালাস দিল । বসন্তবাঘের কথাষ সে তৎক্ষণং রাজি হইল। তখন তিনি দ্বিতীয প্রহবীব নিকট গিয কহিলেন, "ভাগবত, প্রতাপ জিজ্ঞাস কলিলে বলিও বসন্তবায় তোমাকে বধিয়াছে।” সহস ভাগবতের ধৰ্ম্মজ্ঞান অত্যন্থ প্রবল হইয়া উঠিল, অসত্যের প্রতি নিতান্ত বিরাগ জন্মিল , তাহার প্রধান কাবণ, উদযাদিত্যের প্রতি সে ভারি ক্রুদ্ধ হইয়। উঠিয়াছিল। ভাগবত কহিল, “এমন কথা আমাকে আদেশ করিবেন ন!, ইহাতে আমার অধৰ্ম্ম হইবে।” বসন্তরায় তাহার কাধে হাত দিয কহিলেন, “ভাগবত আমার কথ। শুন , ইহাতে কোনে অধৰ্ম্ম নাই। সাধু লোকের প্রাণ বাচাইতে মিথ্য কথ। বলিতে যদি কোনো অধৰ্ম্ম থাকিবে, তবে আমি কেন তোমাকে এমন অনুরোধ করিব ?” বসন্তরায় তাহার কাধে হাত দিয়। পিঠে হাত দিয়৷ বার বার করিষ বুঝাইতে চেষ্ট কবিলেন, ইহাতে কোনো অধৰ্ম্ম নাই। কিন্তু লোকের যখন ধৰ্ম্মজ্ঞান সহসা বিশেষ প্রবল হইয়া উঠে, তখন কোনো যুক্তিই তাহার কাছে খাটে, না । সে কহিল, “না মহারাজ, মনিবের কাছে মিথ্য কথা বলিব কী করিয়৷ ” বসন্তরায় বিষম অস্থির হইয়। উঠিলেন , ৰাকুলভাবে কছিলেন, “ভাগবত, আমার কথা শুন, আমি তোমাকে বুঝাইযা বলি, এ মিখা কথায় কোনো পাপ নাই। দেখে বাপু, আমি তোমাকে পরে খুৰ *