পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সাধনার যোগ্য ক্ষেত্র বলে নির্বাচন করেছিলেন । র্যারা ধ্যান ধারণার জন্য শান্তি ও নির্জনতা অন্বেষী, তাদের ব্যবহারের জন্ধে স্থায়ী বন্দোবস্তের দ্বারা এই স্থানটিকে তিনি উৎসর্গ করেছিলেন যখন আমি এই ক্ষেত্রে আসি ও কোনোরকম পূর্ব অভিজ্ঞত ছাড়াই আমার নতুন জীবন শুরু করি, তখন আমার সঙ্গে মাত দশটি ছাত্র ছিল। আমাদের অাশমের চার দিকে বিশাল উন্মুক্ত প্রান্তর রয়েছে এখানে-ওখানে কয়েকটি শীর্ণ খেজুর গাছ ও উইঢিপির উপ কাটাঝোপ ছাড়া আদিগন্ত বিস্তৃত এই প্রান্তর শূন্য পড়ে আছে মাটির খানিকটা নীচু অংশে লাল পাথর ও কাকরের অসংখ্য ছোটে ছোটে টিলা রয়েছে, নানা আকৃতির ও রঙের মুড়িপাথর ছড়ানে রয়েছে, আর তার মাঝ দিয়ে বৃষ্টিজলের সরু নালি চলে গেছে দক্ষিণে অনতিদূরে একটি গ্রাম আছে। সেদিকে তাকালে তালবৃক্ষ শ্রেণীর বিরতির মধ্য দিয়ে মাটির গর্তে জমা নীল জলের উজ্জন উপরিভাগ দেখা যায়। গ্রামবাসীদের শহরে হাটবাজারে যাবা একটি পথ নির্জন প্রান্তরের মধ্য দিয়ে চলে গিয়েছে ; তার গেরুয় ধুলোয় আকাশ আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। এই পথে যে ভ্রমণকারীর আসেন, তারা আন্দোলিত ভূমিগীর্ষে একটি মন্দিরের চুড়া ও একা বাড়ির শিরোদেশ দেখতে পান। তা হচ্ছে আমলকীকুঞ্জ ও উন্ন শালবীথির মধ্যে অবস্থিত শান্তিনিকেতন আশ্রম । আর এখানেই পনের বছর ধরে আমার বিদ্যালয়টি নান পরিবর্তন ও প্রায়শঃই গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে কবি হিসেবে আমার কুখ্যাতি থাকার ফলে আমাকে অনেক ক ক’রে আমার দেশবাসীর আস্থা অর্জন ও আমলাতন্ত্রের সংশ নিরাকরণ করতে হয়েছে । আমি যে শেষ পর্যন্ত তা করতে Ֆ o Ե