পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবনকে বিশুদ্ধ কবতে পেবেছেন, সকল অকল্যাণেব শুঙ্খলামুক্ত কবতে পেবেছেন, যিনি নিৰ্ভযে ঈশ্ববকে তাব কর্ম সম্পূর্ণ কবাল জন্য বলতে পাবেন, “আমি অামাব মনকে নির্মল কবেছি, স্বার্থআকাজক্ষাব বোক ও স্বর্থবদ্ধ সংকীর্ণ জীবনেব ভয ও দুঃখ কাটিযে উঠেছি, এখন আমি পূর্ণতম অশাঘ দাবি কবতে পাবি – যা কল্যাণকব তা আমাকে দা , তা যে-কোনে রূপেই হোক ন৷ কেন— তুঃখে, ক্ষতিতে, অপমানে, শোকে – অ মাকে দী ও — আমি আনন্দেব সঙ্গে তা গ্রহণ কবব, কাবণ আমি জানি ত৷ তোমাব থেকেই আসছে ? কিন্তু আমবা যতই দুর্বল হই না কেন, আমাদেব এই প্রার্থনা উচ্চাবণ করতেই হবে । কারণ আমরা জানি যে যদিও আমিব। কষ্ট ও তুঃখে নিমজ্জিত হই, তথাপি যে ব্যক্তি উপলব্ধি কবেছে যে সে তাব পিতাব আশ্রযে বাস কবে, সে ব্যক্তি র্তাব হাত থেকে যা-ই আস্থক না কেন তা সানন্দে গ্রহণ কববে। তা-ই হল মুক্তি । কাবণ মুক্তি নিছক সুখেব মধ্যে নেই। কিন্তু যখন আমিবা বিপদ ও মতু্যকে অগ্রাহ কবি, দুখ ও ক্লেশকে অস্বাকবি কবি, এবং আমাদেব পিতাব আশ্ৰয সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র সংশয পোষণ কবি না, তখন অমিবা মুক্তি অনুভব কবি । তখন সব-কিছুই তামাদেব কাছে আনন্দেব বাণী বহন ক’বে আসে এবং আমরা তাকে নম্ৰতা ও আনন্দেব সঙ্গে গ্রহণ কবতে পাবি এবং কৃতজ্ঞত যে তা মদেব মাথা নত কবি । ‘নমঃ সস্তবায়’ । যাব থেকে জীবনেব আনন্দ প্রবাহিত হয, তার কাছে নত হই। আমবা সানন্দে নানা পথে প্রবাহিত আনন্দেব স্রোতোধাবাকে অভ্যর্থনা কবি, এবং সে-কাবণে তোমাব কাছে নত হই । SV)(t