পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


এই কাজে পুরুষমানুষ বিদ্রোহ ও ধ্বংসেব বিপজ্জনক পথে যাত্রা করেছে। বাববার তার সঞ্চয় ধুয়ে মুছে গেছে এবং অগ্রগতির স্রোত উৎসবিন্দুতে অন্তর্তিত হয়েছে। যদিও মানুষ অনেক লাভ কবেছে তথাপি তুলনায় অপচয় অনেক বেশি– বিশেষতঃ যখন অমিবা ভেবে দেখি যে, সম্পদেব অনেকটা যখন নষ্ট হয়েছে তখন সেই সঙ্গে অগ্রগতিব অনেক প্রমাণও নিয়ে গেছে । বাববাব এই ধ্বংসলীলাব মধ্য দিয়ে মানুষ একটি সত্য আবিষ্কাব কবেছে -- যদিও তা সম্পূর্ণ ব্যবহাব কবতে পাবে নি। তা হচ্ছে, মানুষেব সকল সৃষ্টিকে ধ্বংস থেকে বক্ষব জন্য তাদেব নৈতিক ছন্দ বজায় বাখতে হবে ; ক্ষমতার নিছক বাধাহীন বুদ্ধি যথার্থ প্রগতিব পথে মানুষকে নিয়ে যায় না, এবং সত্যেব যথার্থ বিকাশের জন্য অংশগুলিব মধ্যে সমতা, এবং ভিত্তিব সঙ্গে কাঠামোব সঙ্গতি থাক। প্রয়োজন | স্থায়িত্বেৰ এই আদর্শ নালীপ্রকৃতিব একান্ত আকাঙ্ক্ষিত । কেবল চলাব জন্য চলায় কখনো নাবীব আগ্রহ দেখা যায় না, অন্ধকাবের বুকে কেবল কৌতুহলেব তীব ছোড়ায় তাব কোনে। আগ্রহ নেই। নাবীব সমস্ত শক্তি বস্তুকে কোনো একটা পূর্ণ কপ দেবীব জন্য প্রবৃত্তিবশে কাজ কবে, কাবণ তা হল জীবনের নিয়ম । জীবনেব গতিতে কিছুক্ত টু ডাম্ব নয়, তথাপি প্রতিটি ধাপের পূর্ণতাব ছন্দ আছে। এমন-কি কুড়ির ৭ বৃত্তাকাব পূর্ণতাব আদশ আছে ; ফুলেব আছে, ফলেব ও আছে। কিন্তু একটা অসম্পূণ বাড়িব নিজস্ব সমগ্রতাব অাদর্শ নেই। সুতবং বাড়িটি অনিশ্চিতভাবে তাব আয়তনবৃদ্ধিব পথে এগিয়ে চলে । বাড়িটি ধীরে ধীবে তাব স্থায়িত্বের নিবিখকে ছাড়িয়ে যায়। বুদ্ধিভিত্তিক সভ্যতাব পরুষ সৃষ্টিগুলি যেন ব্যাবেলের স্তম্ভ। তার তাদের ভিত্তিকে >\○b*