পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অস্বীকারেব তুঃসাহস দেখায়। স্থতবাং বাববাব তারা ভেঙে পড়ে । এই ভাবে ধ্বংসস্তুপেব স্তবেব উপরে মানব-ইতিহাস গড়ে উঠছে। তা জীবনবৃদ্ধিব অবিচ্ছিন্ন ধাবা নয়। মানুযেব বুদ্ধি-জাত অর্থনৈতিক ও বাজনৈতিক সংগঠনগুলি কেবল যান্ত্রিক শক্তিৰ প্রতিনিধিত্ব কবে । তাবা সহজেই জীবনেব প্রতিষ্ঠাজগতে তাদেব আকর্ষণকেন্দ্র ভুলে যায়। ক্ষমতা ও সম্পদেব ক্রমসঞ্চাযমান লোভেব কোনো নিজস্ব চরম পূর্ণতা নেই ; নৈ•ি ক ও অধ্যাত্মিক পূর্ণতাব আদর্শেব সঙ্গে তার কোনো সঙ্গতি নেই , তা শেষ পর্যন্ত তবে আপন সম্পদেব ভালেব উপব প্রচণ্ড আঘাত কবে । ইতিহাসের বর্তমান অবস্থায় সভ্যতাব প্রায় সবটাই পৰুয ; তা হচ্ছে শক্তিব উপব প্রতিষ্ঠিত সভ্যতা। এখানে নবীকে একধাবে ছযায় সবিয়ে দেওয়া হয়েছে । সেই কারণে এই সভাত তাব সমতা হাবিয়েছে। এবং তা লাফিযে লাফিয়ে এক যুদ্ধ থেকে অপব যুদ্ধে এগিয়ে চলেছে । এই সভ্য ও বি চালক-শক্তি হল ধ্বংসেব শক্তি। এক অতি স্কজনক সংখ্যায় মানুয-উৎসগেব মধ্য দিয়ে তার নানা আচাৰ-অনুষ্ঠান পালিত হয়। এই একপেশে সভ্যতা তবে একপেশেমিব জন্য বহু ধ্বংসের মধ্য দিয়ে দান্ত গতিতে ছুটে চলেছে । এখন শেষ পযন্ত এমন সময় এসেছে যখন অবশ্যই এই বঙ্গমঞ্চে নাবী দেখা দেবে ও ক্ষমত বি অসাবধানী গতিতে তাব জীবনেব ছন্দ যুক্ত কবলে । কাবণ নাবীব কাজ মাটিব নিশ্চেষ্টতাব কাজ । তা কেবল গাছকে বেড়ে উঠতে সাহায্য কবে না, সেই সঙ্গে ও ব বৃদিকে সীমাবদ্ধ কবে রাখে। গছ নিশ্চয়ই জীবনেল অভিযানে যোগ দেবে, সব দিকে তবে শাখা-প্রশাখা ছড়িয়ে দেবে, কিন্তু তাব সম্পর্কের গভীরতর বাধনগুলি মাটির নীচে লুকানো ও দৃঢ়বদ্ধ \రిసె