পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিশুর মতো এই মালা থেকে একটি নক্ষত্রকে চয়ন করে নেয় এবং তখন আমরা একে ধাবমান অবস্থায় দেখি । কাকে বিশ্বাস করি তা ঠিক করাই মুশকিল । নক্ষত্রসভার প্রমাণ সরল। আপনাকে কেবল চোখ তুলতে হবে, তাদের মুখে তাকাতে হবে এবং তাদের বিশ্বাস করতে হবে । নক্ষত্রেরা আপনার সামনে বিস্তারিত যুক্তিজাল বিস্তার করে না, এবং আমার মনে হয়, তা-ই বিশ্বাসযোগ্যতার নিশ্চিত প্রমাণ। যদি আপনি তাদের বিশ্বাস করতে রাজী না হন তবে নক্ষত্রদের হৃদয় তাতে ভেঙে যায় না । কিন্তু যখন বিশ্ববঙ্গমঞ্চ থেকে এই-সব নক্ষত্রেব কোনো একটি আলাদাভাবে নেমে আসে এবং চুপিচুপি গণিতের কানে তার সব খবর দেয়, তখন সমগ্র ব্যাপাবটি আলাদা হয়ে দাড়ায় । তাই আজ আমাদের সাহসের সঙ্গে ঘোষণা করতে হবে যে নক্ষত্রদের সম্পর্কে উভয় তথ্যই সত্য। আমাদের বলতে হবে, দূরের পটে নক্ষত্রেবা নিশ্চল এবং নিকটের সমতলে তারা চলমান । অামাব কাছে নক্ষত্রেরা এক সম্পর্কে সত্যি নিশ্চল এবং অন্ত সম্পর্কে সত্যি চলমান। দুব ও নিকট দুই ভিন্ন ঘটনা-শ্রেণীর রক্ষক, কিন্তু তারা উভয়েই একই সত্যের অন্তভুক্ত– এই সত্যই তাদের প্রভু। সেই কারণে যখন আমরা এক পক্ষকে ভৎসনা কবাব জন্য অপর পক্ষ অবলম্বন কবি তখন যে সত্য উভয়কেই ধরে অাছে তাকে আঘাত করি । ঈশোপনিষদের ভারতীয় ঋষি এই সত্য সম্পর্কে বলেছেন— তদেজতি তন্নৈজতি তদরে তদ্বন্তিকে। এর অর্থ এই, যখন আমরা সত্যকে নিকটের অংশে অনুভব করি, তখন সত্যকে চলমানরূপে দেখি ; যখন আমরা সত্যকে و ادعا