পাতা:ব্যক্তিত্ব - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুরুষে নিহিত, তা বাইরের আইনে ও পদার্থে নেই। আর মানুষ অবশ্যই এ কথা উপলব্ধি করবে যে যদি এই বিশ্ব এক মহান পুরুষের প্রকাশ না হয়, তবে এ এক বিবাট প্রতারণা ও তার প্রতি চিরস্থায়ী অপমান। মানুষের জানা উচিত, বিচ্ছিন্নতার বিশাল গুরুভারে গোড়াতেই তার ব্যক্তিত্ব গুড়ো গুড়ো হয়ে যাবে, আকৃতি হারাবে এবং এমন এক বিমূর্ততার অর্থহীনতায় বিলীন হয়ে যাবে যার ধারণা করার মতো মনের ভিত্তি পর্যন্ত নেই । ঈশোপনিষদের কবি তার উপদেশাবলীর শেষভাগে আকস্মিকভাবে একটি শ্লোকে আত্মোদঘাটন কবেছেন— যা তার সারল্যে প্রভাত-সূর্যের প্রতি বিশাল পৃথিবীর দৃষ্টিক্ষেপের গীতি-নৈঃশব্দাবাহী। কবি গেয়েছেন— হিরণুয়েন পাত্রেণ সত্যস্তাপিহিতং মুখম । তত্ত্বং পূষন্নপাৰ্বণু সত্যধর্মীয় দৃষ্টয়ে। পূষন্নেকর্ষে যম সূর্য প্রাজাপত্য ব্যুহ রশ্মীন সমূহ তেজে৷ যত্তে রূপং কল্যাণতমং তত্তে পশ্যামি । যোহসাবসে পুরুষঃ সোহহমস্মি ৷ তার পর উপসংহারে মৃত্যুহীন ব্যক্তিত্বের অধিকারী এই কবি মৃত্যু সম্পর্কে গেয়েছেন- — বায়ুরনিলমম্তমথেদং ভস্মান্তং শবীরম। ওঁ ক্রতো স্মর কৃতং স্মর ক্রতো স্মর কৃতং স্মর ॥ আগ্নে নয় সুপথা রায়ে অস্মান বিশ্বানি দেব বয়ুনানি বিদ্বান । যুযোধ্যম্মজুহুরাণমেনো ভূয়িষ্ঠাং তে নমউক্তিং বিধেম । জীবন থেকে মৃত্যুতে, আবার মৃত্যু থেকে জীবনে যিনি やり>