পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১০০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


సెV) ব্যঙ্গকৌতুক ছুটেছিলো পিয়াসভরে মরীচিকা-বারির তরে, ধ’রে তা’রে কোমল করে কঠিন ফাসি পরা’ ! দয়ামায়া করিসনে গো, ওদের নয় সে ধারা ! দয়ার দোহাই মানবে না যে একটু পেলেই ছাড়া ! বাধন-কাটা বন্যটাকে মায়ার ফাদে ফেলাও পাকে, ভূলাও তা’কে বাশির ডাকে বুদ্ধিবিচারহর । অন্নদ । বুদ্ধিবিচার একেবারেই যায় নি! অতি সামান্তই বাকি আছে । তা’র থেকে মনে হ’চ্চে, ঐ যে যাকে জন্তু-জানোয়ার বল হ’লো, সে সৌভাগ্যশালী আমি ছাড়া, উপস্থিত ক্ষেত্রে, আর কেউ হ’তেই পারে না ! গানটি ভালো, স্থরটিও বেশ, কণ্ঠস্বরও নিন্দা করা যায় না— কিন্তু রূপক ভেঙে সাদাভাষায় একটু স্পষ্ট ক’রে সবটা খুলে বলুন দেখি, —আমার সম্বন্ধে আপনারা কী করতে চান! পালাবো এমন আশঙ্ক৷ ক’রবেন না, আপনার তাড়া দিলেও নয়। কিন্তু কোথায় এলুম, কেন এলুম, কোথায় যাবে, এ সকল গুরুতর প্রশ্ন মানবমনে স্বভাবতই উদয় হু’য়ে থাকে। r মাতাজি। তোমার স্ত্রীকে কি মাঝে মাঝে স্মরণ করে ? অন্নদা । ক’রে লাভ কী, কেবল সময় নষ্ট ! তাকে স্মরণ ক’রে যেটুকু মুখ, আপনাদের দর্শন ক’রে তা’র চেয়ে ঢের বেশি আনন্দ ! মাতাজি । তোমার স্ত্রী যদি তোমাকে স্মরণ ক’রে সময় নষ্ট করেন ?