পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


& 8 ব্যঙ্গকৌতুক শীতল সমীরণে সমস্ত জগতের তাপ নিবারণ করে, কেবল আমি হতভাগিনী সর্থীকে ডাকিয়া বলি "উচ্চ উহু, সখি, দ্বার রোধ করিয়া Wis G |" সখীর স্নেহভরে দেহ স্পর্শ করিলে চমকিয় হাত ঠেলিয়া দিই ৷ না জানি কোন স্পর্শে আরাম পাইব । মনোহর শারদ পূর্ণিমা কাহার ন! আনন্দদায়িনী—কেবল আমার কষ্ট কেন দ্বিগুণ বাড়াইয়া তোলে । আমার মুীয় আর কোনো হতভাগিনী সম্বন্ধে জয়দেব লিথিয়াছেন,— “নিন্দতি চন্দমমিন্দুকিরণমল্পবিন্দতি খেদমধীরং । বালনিলয়মিলনেন গরলমিব কলয়তি মলয়সমীরং ।” অন্যত্র লিথিয়াছেন “নিশি নিশি রুজমুপযাতি।” আমারো সেই দশা । রাত্রেই বাড়িয় উঠে । আমার এ কী হইল ? উত্তর | তোমার বাত হইয়াছে । অতএব পূবে হাওয়া বহিলে যে দ্বাররোধ করিয়া দাও সেট ভালোই কর । পরীক্ষণস্বরূপে চন্দনপঙ্ক লেপন নী করিলেই উত্তম করিতে। পূর্ণিমার সময় যে বেদনা বাড়ে সে তোমার একলার নহে, রোগটার ঐ এক লক্ষণ । চাদের সহিত বিরহ, বাত, পয়ার এবং জোয়ার ভাটার একটা যোগ আছে । রাধিকার ন্যায় রাত্রে তোমার রোগ বৃদ্ধি হয় । কিন্তু রাধিকার সময় ভালে ডাক্তার ছিল না, তোমার সময়ে ডাক্তারের অভাব নাই । অতএব আমার ঠিকান সম্পাদকের নিকট জানিয়া লইয়া অবিলম্বে চিকিৎসা আরম্ভ করিয়া দিবে। নূতন উত্তীর্ণ ডাক্তায় । > ミ>br i