পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কথামালার নূতন-প্রকাশিত গল্প ९६o স্কন্ধের উপর আরোহণ করিয়া অামারি শাখাচ্ছেদন করিয়াছ, এক্ষণে কে কাহার বিচার করিবে ?" | 曝 মানব আরক্তলোচনে কহিল, "আমার কয়েকজন কাঠরিয়া যে অকালে কাল গ্রাসে পতিত হইল, তাহার জন্য কেহন্ত দণ্ড পাইবে না, এ কখনো হঠতে পারে না ।” বনস্পতি ভীত হইয়া কম্পিত সম্মর স্বরে কহিল, “প্রভু, তাহারা স্ববুদ্ধি সহকারে মানব চাতুরী অবলম্বন করিয়া যেরূপ কাণ্ড করিয়াছিলেন, আশ্চৰ্য্য কাৰ্য্যনৈপুণ্যবশত অবিলম্বেই তাহার ফললাভ করিয়াছেন,— আমি মূঢ় বৃক্ষ, তাহার প্রতিবিধান করি এমন সাধ্য ছিল না।" মানব কহিল, “কিন্তু তোমারি শাখা ভাঙিয়া পড়িয়াছিল, তাহাতে কোনো সন্দেহ নাই ।” ጳ বনস্পতি কহিল, “সে কথ। যথার্থ, কারণ আমারি শাখায় তাহারা কুঠারাঘাত করিয়াছিলেন এবং প্রকৃতির নিয়ম অনিবাৰ্য্য ।” মানব স্বযুক্তি সহকারে কহিল, “অতএব তোমাকেই দণ্ড স্বীকার করিতে হইবে । তোমার যাহা কিছু বক্তব্য আছে বলিতে থাকো আমি এক্ষণে কুঠারে শণি দিতে চলিলাম।” তাৎপৰ্য্য —অনবধানবশত যদি হু চট খাইয়া থাক, চৌকাঠকে পদাঘাত করিবে । সেই জড় পদার্থের পক্ষে এই একমাত্র সুবিচার । >ミ?b |