পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্যঙ্গকৌতুক صا\ صb করে। তা’রে আপনার ধন— অামার হৃদয় প্রাণমন । শুধু ধূলি শুধু ছাই মূল্য যার কিছু নাই মূল্য তা’রে করে সমর্পণ তব স্পশে পর শরতন । তোমার গৌরবে যবে আমার গৌরব হবে একেবারে দিব বিসর্জন চরণে হৃদয় প্রাণ মন | আশু । ( স্বগত) আরমন্ত্রের দরকার নেই ৷ বশীকরণের আর কী বাকি রইলো ! কন্যাটি দেব কন্যা ! ( প্রকাশুে ) মাতাজি । শু্যাম । কী বাবা । আশু । আমাকে আপনার পুত্ৰ ক’রেই রাখবেন, এমন সুধাসঙ্গীত শোনবার অধিকার থেকে বঞ্চিত করবেন না । যা পাওয়া গেল, এই আমি পরম লাভ মনে ক’রচি। মন্ত্রতন্ত্রের কথা ভুলেই গেচি। এখন বুঝতে পারুচি, মন্ত্রের কোনো দরকারই নেই । শু্যাম । অমন কথা বোলো না বাবা ! মন্ত্রের দরকার আছে বৈ কি ! নইলে শাস্ত্ৰ— । o - আশু । সে তে ঠিক কথা ! মন্ত্র আমি অগ্রাহা করি নে। আমি ব’লছিলেম মন্ত্র পড়লেই যে মন বশ হয়, তা নয়, গানের মোহিনী শক্তির কাছে কিছুই লাগে না । (স্বগত) মেয়েটি আবার লজ্জায় লাল হ’য়ে উঠলো ! ভারি লাজুক ! শু্যাম । ( আত্মগত ) ছেলেটি খুব ভালো ! কিন্তু একটু যেন লজ্জা কম ব’লে বোধ হয় ! মন বশ করার কথাগুলো শাশুড়ীর সামনে না ব’ল্লেই ভালো হ’তে ।