পাতা:ব্যঙ্গকৌতুক - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৯৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Soरे ব্যঙ্গকৌতুক এখন আমি যাচ্চি—একঘণ্টার মধ্যে ফিরে আসবে—আজকের দিনের মধ্যেই একটা সন্তোষজনক বন্দোবস্ত করবোই, এ আমি আপনার প। ছু য়ে শপথ ক’রে যাচ্চি । শু্যাম । বাবা, ও শপথে কাজ নেই—প ছুয়ে আরো একবার শপথ ক’রেছিলে— আশু । আচ্ছা, আমি আমার ইষ্টদেবতার শপথ ক’রে যাচ্চি, আজকের মধ্যেই সমস্ত পাক ক’রে তবে অন্য কথা । খাম। (স্বগত) ছেলেটি কথাবাৰ্ত্তায় বেশ, কিন্তু ওকে কিছুই বুঝবার জো নেই ; কখনো বা তাড় দেয়, কখনো বা ঢিল দেয়, অথচ মুখ দেখে ওর প্রতি অবিশ্বাসও হয় না। আশু । তবে অনুমতি করেন তো এখন আসি । শ্ৰাম । তা এসে বাবা । ( প্রণাম করিয়া আশুর প্রস্থান ) । পঞ্চম অঙ্ক অন্নদ অন্নদা। ব্যাপারখান তো কিছুই বুঝতে পারলেম না। ঘটকের কথা শুনে এলেম কন্যা দেখতে । ধিনি দেখা দিলেন, তাকে তো, বয়স দেখে কোনোমতেচ কন্যার মা ব’লে মনে হয় না—চেহার দেখে বোধ হ’লো অঙ্গরী—যদিচ অঙ্গরীর চেহারা কী রকম, পূৰ্ব্বে কখনো দেখিনি। শেকহাণ্ড করতে যেমনি হাত বাড়িয়ে দিয়েচি, অমনি ফস ক’রে আমার হাতে কড়িবাধা একগাছি লাল সুতো বেঁধে দিলে। আর কেউ হ’লে গোলমাল ক’বৃতেম–কিন্তু যে সুন্দর চেহারা, গোলমাল করবার জে কী । কিন্তু এ সমস্ত কোন-দেশী দস্তুর, তা তো বুঝতে পারুচিনে।