পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


3 ব্যবসায়ে বাঙালী थwइविल इहे८ङ जक८लई हेलहभङ १ब्रष्ठ कब्रिाउ थां८कन ; अश्नौদারদের মধ্যে যদি কাহারও ইহাতে কোন প্রকার আপত্তি থাকে, চক্ষুলজায় তাহা মুখ ফুটিয়া বলিতে পারেন না। আবার মুখ ফুটিয়া বলিলেও কোন কোন স্থলে তাহাতে পরস্পরের মনোমালিন্যের সূচনা হইয়া পড়ে । অনেক সময় অনেক ফার্শ্বে দেখা যায় যে, অংশীদারদিগের পরম্পরের বক্তব্য কৰ্মচারীর দ্বারা একজন অপরকে জানাইয়া থাকেন। চতুর কৰ্মচারী ইহার স্বযোগ গ্রহণ করিয়া, হয় কোন ক্ষমতাশালী কিংবা *কোন নিৰ্ব্বোধ মনিবের পক্ষাবলম্বনে পরম্পরের মধ্যে মনোমালিন্তের স্বষ্টি করিয়া তোলে। আরও দেখা যায়, ফার্শ্বের কোনও কৰ্ম্মচারী কোন অংশীদারের আত্মীয় কিংবা প্রিয়পাত্র হইলে, তাহার কার্ধ্যের ত্রুটি বা অবহেলায় অন্যান্য অংশীদারদের বাধ্য হইয়াই চোখ বুজিয়া থাকিতে হয়। এই সমস্ত কারণে যৌথ-কারবারে একটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় । এরূপও দেখা যায়, যৌথ-কারবারে বেশ দু’পয়সা লাভ হইতেছে দেখা গেলে অনেক অংশীদারের গাত্রদাহ উপস্থিত হয়। চতুর অংশীদার অন্ত অংশীদারকে কারবার হইতে সরাইয়া দিয়া সমগ্র লাস্থ নিজে ভোগ করিবার লালসায় নানা প্রকার কৌশল অবলম্বন করে, এমন কি স্বযোগ বুঝিয়া কারবার হইতে টাকা আত্মসাৎ করিতেও ছাড়েন না ; কাহাকে লাভের বখরা দিতে প্রাণে বড় কষ্ট অনুভব করেন । একান্নবৰ্ত্তী পরিবার মধ্যে বখ রাদারী কারবার থাকিলে যিনি উহার পরিচালক, তিনি অন্যান্ত অংশীদারের চোখে ধূলি দিয়া নিজে নানা প্রকারে কারবারের টাকা আত্মসাৎ করিয়া থাকেন. ইহাতে সন্দেহ প্রকাশ করিয়া কেহ কোন কথা বলিলে গণ্ডগোলের স্বষ্টি হইয়া কারবার নষ্ট হইয়া যায়। অন্তান্ত সহোদর ভ্রাতাদের পথে বসাইয়া, তাহাঁদেরই