পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্যবসায়ে বাঙালী ১২ণ্ড হইতে পারে। বেকার-অবস্থায় একেবারে চুপচাপ বসিয়া থাকা অপেক্ষা এ সমস্ত কাজে যদি ৫।৭২ টাকাও উপার্জন হয়, সেও মন্দের ভাল। তবে পূর্ববঙ্গের ঐ সমস্ত নারিকেল-ছোব রায় কাতাদড়ি ভাল হয় না। যাহা হউক, মোটা কাতfদড়িও যখন অনেক কাজে ব্যবহৃত হয়, তখন উহ একেবারে অচল হইবে বলিয়াও মনে করা যায় না। ‘পাপস কলিকাতায় কোন মহাজনের ঘরে চালান না করিলে, পল্লীগ্রামে খুব বেশ বিক্রয় হয় না । কাতাদড়ি মফঃস্বলে বিক্রয় হইতে পারে। এই সমস্ত কুটার-শিল্পে অল্পবস্ত্রের সংস্থান হইবে না। তবে শুধু চুপচাপ গৃহে বসিয়া থাকিয়া কিম্বা চাকুরীর জন্য এখানে-ওখানে ছুটাছুটি করিয়া যখন সমস্তার সমাধান হয় না, তখন ‘বেকার থাকার চেয়ে ব্যাগার খাটা ভাল’—এই প্রচলিত বচনটি মানিয়া লওয়া মন্দ কি ? আস্তরিক চেষ্টা ও যত্ন থাকিলে অতি সামান্ত কাজের ভিতর দিয়াও এমন অভিজ্ঞতা জন্মে, যাহাতে হীন অবস্থা হইতে অনেককে উন্নতি করিতে দেখা গিয়াছে। একটা উদাহরণ দিই । কলিকাতা সহরে হরিশ্চন্ত্র ঘোষ নামক জনুৈক লোক ছেড়া নেকুড়া কুড়াইয়া কাগজের কলে সরবরাহ করিয়া লক্ষপতি হইয়াছেন । ছেড়া নেকুড়ায় বড়লোক হওয়ায়, আজও অনেকের মুখে তাহার নাম "হরিশ নেকুড়া” বলিতে उनां श्वांश्व । =ङ्ग-को মহাত্মা গান্ধীর চরকায় স্থতোকাটা আন্দোলনের সময়ে, খুলনা জেলার অধিবাসী বাবু হরেন্দ্ৰ নাথ ঘোষ (এম, এ) মনপ্রাণ নিয়োগ করিয়া একটি উন্নত ধরণের চরকা আবিষ্কার করেন। কিন্তু বাংলায় এমন একটি ধনী জুটিল না যে, মূলধন সরবরাহ করিয়া উহা প্রচলন করেন (popularise ) । কাজেই হরেনবাবু উক্ত চরকা ম্যাকলিয়জ,