পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৩৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ડૅર૧ ব্যবসায়ে বাঙালী কোম্পানীকে দিয়া, বর্তমানে উহার কমিশন ইত্যাদিতে মাসিক ৩৪ শত টাকা পান শুনিয়াছি । অনেক সময় যাহা অতি ক্ষুদ্র ও হীন কাজ বলিয়া মনে করা হয়, অধ্যবসায় থাকিলে, ঐ সমস্ত ক্ষুদ্র হীন কাজেও অনেককে উন্নতি করিতে দেখা যায়। জাপানীরা দাত-খোচানো কাঠি কাগজের কোঁটায় বোঝাই করিয়া লেবেল আঁটিয়া ভারতে বিক্রয় করিয়া যাইতেছে । জাপানী খেলনায় তো ভারতের বাজার ছাইয়া ফেলিয়াছে। ঐ সমস্ত চক্‌মকে খেলনা আমরা যতই সস্তা দামে খরিদ করি না কেন, প্রকৃতপক্ষে টাকাটা আমাদের বিদেশে মণিঅর্ডার হইয়া যায়। প্রতিদিন সকালে শয্যাত্যাগের পর হইতে আমাদের নিত্য-ব্যবহার্য্য অধিকাংশ জিনিসের মূল্য আমরা বিদেশে প্রেরণ করিতেছি । সকালে উঠিয়াই টুথ, পাউডার, টুথ, ব্রাশ, দাড়ি কামানোর ব্লেড, চায়ের সরঞ্জাম, সিগারেট, ম্যাচ, আয়না, চিরুণী, পোষাকপরিচ্ছদ প্রভৃতি যাবতীয় নিত্য-ব্যবহার্য্য অধিকাংশ জিনিসের মূল্যই আমাদের বিদেশে যায়। আমরা যদি বিদেশ হইতে কিছু আদায় করিতে সক্ষম হইতাম, তাহা হইলে, বিদেশে কিছু প্রেরণ করিলেও তত কিছু ক্ষতি ছিল না । বৰ্ত্তমানে আমাদের এই সঙ্কীর্ণ আয়েরও অৰ্দ্ধেক টাকা বিদেশে চলিয়া যাইতেছে । তাইতো ভাবি, এ জাতির তিলে তিলে মৃত্যু ছাড়া আর উপায় কি ?