পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৪৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্যবসায়ে বাঙালী Seg শুধু নিজের পশার-প্রতিপত্তি জাহির করিতে গিয়াও বাঙালীর জায়বায়ের সমতা রক্ষা করিতে না পারিয়া ব্যবসা নষ্ট করিয়া বলে। ক্ষুদ্র কিংবা বৃহৎ যে কাজই করুক না কেন, যদি মূলধন সঞ্চয়ের দিকে লক্ষ্য না থাকে, সে ব্যবসায়ের ধ্বংস অনিবাৰ্য্য । বাঙালী যুবকরা ব্যবসা-শিক্ষার কথা উঠিলেই বলিয়া থাকে, “মূলধন কোথায় ? আর মূলধন না থাকিলে ব্যবসায় শিখিয়াই বা কি করিব!” কিন্তু যাহাদের ব্যবসায়-পরিচালনের যোগ্যতা থাকে, তাহাদের মূলধনের কদাচ অভাব হয় না। প্রচুর পরিমাণ মূলধন ফেলিয়াও শুধু যোগ্যতা অভাবে অনেককে ক্ষতিগ্রস্ত হইতে হইয়াছে, এরূপ দৃষ্টাস্ত বহু উল্লেখ করা যায়। পূৰ্ব্বেই বলিয়াছি, ব্যবসায়ের নিম্নস্তর হইতে কাজ আরম্ভ করিয়া যাহার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করিতে পারে, তাহারাই পাকা ব্যবসায়ী হয়। একান্নবর্তী পরিবার বাঙালী শ্রমকাতর ও আয়েসী হইয়া পড়ায়, অনেক একান্নবর্তী পরিবার ক্রমেই ভাঙ্গিয়া যাইতেছে । এরূপ অধিকাংশ পরিবারেই দেখা যায়, দুই একজন রোজগার করে, আর ৭৮ জনে বসিয়া খায়। যাহারা বেকার থাকে তাহীদের দ্বারা সংসারের কোন প্রকার সাহায্য হয় না। অর্থোপর্বনে সক্ষম না হইলেও তাহারা অন্যভাবে পরিবারের সহায়তা করিতে পারে। দৃষ্টান্তস্বরূপ গৃহস্থের নিত্য-প্রয়োজনীয় তরিতরকারী উৎপন্ন করিয়া, গো-পালনের দ্বারা দুগ্ধ সংগ্ৰহ করিয়া এবং छांलांनौ कॉर्छ थङ्गउि श्रहनक छिनिश ८शांश्रीहेग़ा उांझांब्रां भब्रियांदब्रद्भ সাহায্য করিতে পারে, কিন্তু তাহা তাহারা করে না। বরং যাহার হাতে সংসার-খরচের ভার থাকে, অনেক সময় তাহা হইতে সে কিছু আত্মসাৎ করিয়া থাকে। এই সমস্ত কারণে মন-ভাঙ্গাভাজির কারণ ঘটিয়া একায়