পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৪৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জীবন-যাত্রায় বাঙালীর কৰ্ত্তব্য অভাবের তাড়নায় বাঙালী যে কি শোচনীয় অবস্থায় আসিয়া পৌঁছিয়াছে, সহরে বসিয়া তাহা অনুমান করা যায় না। পল্লীর দিকে একবার দৃষ্টিপাত করিলে বুঝা যায়—কি নিদারুণ দারিদ্র্য দেশকে গ্রাস করিয়া বসিয়াছে। গৃহে গৃহে হাহাকায় ! মুখে হাসি নাই, অন্তরে সজীবতা নাই,—বালক-বৃদ্ধ-যুব সকলেই যেন এক একটি নৈরাণ্ডের ছবি । এ অবস্থার প্রতিকার না করিলেই নয়। কিন্তু উপায় কি, কৰ্ত্তব্য কি—“কঃ পন্থা ?” fञ८वyl->नव्यांच्पटन्वांaथ *>iञ्चिद्धरुद्ध সৰ্ব্বাগ্রে মিথ্যা সম্মানবোধ পরিত্যাগ করিতে হইৰে । একমাত্র মেধাবী ছাত্র ছাড়া অপর কাহারও বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ডিগ্রির পিছনে ছুটিবার প্রয়োজন নাই। জানি, এ মোহ আজও বাঙালীকে গ্রাস করিয়া বসিয়া আছে, কিন্তু “এ মায়া ছাড়িতে হ’বে I* যে সকল অভিভাবক সৰ্ব্বস্বাস্ত হইয়া পুত্রগণকে উচ্চশিক্ষা দেন, তাহাদের উচিত সেই টাকাটা ঐভাবে ব্যয় না করিয়া হয় কোন অর্থকরী শিক্ষায়, কিংবা কোন ব্যবসা বা কৃষি শিক্ষায় ব্যয় করা । বি,এ, এম,এ পাশ করিয়াও যখন ২৫।৩-২ টাকার চাকুরী জুটিতেছে না, তখন না হয় উচ্চ-শিক্ষার পিছনে যে টাকাটা ব্যয় হইত সেটা তাহারা ব্যবসা করিতে গিয়া নষ্টই করিল ; সেও লাভ। কারণ তাহাতে তাহদের কৃষি বা ব্যবসায় সম্বন্ধে একটা অভিজ্ঞতা জন্মিবে। বি,এ, এম,এ পাশ করিলে তো একমাত্র কেরাণীগিরি ছাড়া আর কোন অভিজ্ঞতা লাভ হয় না। বরং তাহাতে এত বেশী আত্মসন্মানৰোধ জন্মে, যে ইহাদের পক্ষে নিম্নস্তরের