পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাংলার পল্লীচিত্র কলিকাতা বা বাংলার বড় বড় সহরাঞ্চলের বৃহৎ সৌধরাজি দেখিয়া বাংলার আসল অবস্থা অহমান করা চলে না। কলিকাতার মত সহরে একই বাড়ীর দুই অংশে দুটি গৃহস্থ দশ বৎসর কাল বাস করিয়াও কেহ কাহারও অবস্থার খবর জানে না। দেশ-বিদেশের নানা শ্রেণীর নানা-ভাষাভাষী এখানে একত্রিত হইয়াছে। রাস্তায় বাহির হইয়া গাড়ী-ঘোড়া চাপা না পড়িলেতো বাপের পুণ্য ! অন্তত:পাঁচ মিনিট অপেক্ষা না করিলে মোটর-গাড়ীর ঠেলায় কোন একটি রাস্ত পার হওয়া অসম্ভব। ফুটবল-মাঠে ও বায়ুস্কোপের টিকিট-ঘরের সম্মুখে জনসমুদ্র দেখিয়া কেহ বুঝিতেও পারিবে না—এখানে দারিদ্র্য বলিয়া কিছু আছে । এই গ্রন্থকারের দেশের একটি ধোপার মেয়ে গঙ্গাস্নান উপলক্ষে একবার কলিকাতায় আসিয়া বলিয়াছিল—“আমার কপালে একটু আঁচড় * ছিল, তাই স্বর্ণপুরী কলকেতা দেখলাম, দেশের রাজ্যির টাকা আর ইট সবই কি কলকেতায় গাদা কয়েছে !” কথা মিথ্যা নয়। আবার এখানে ধনীর সংখ্যা যেমন, ভিখারীর সংখ্যাও তেমনি । তার মধ্যে আবার অনেক পেশাদারী ভিক্ষুক আছে। এই জন্য প্রকৃত ভিক্ষুক বাছিয়া লওয়া শক্ত । কলিকাতায় ভিখারীর সরদার’ আছে। কোন ক্রিয়া-কৰ্ম্ম উপলক্ষে কাঙালী ভোজন করাইতে হইলে সরদারের মারফতে তাহাদের নিমন্ত্রণ করিতে হয়। এজন্য সরদার একটা কমিশন পায়। কয়েক বৎসর পূৰ্ব্বে কৃষ্ণরাম বস্থর ষ্ট্রীটে এক ভিখারীসরদারের পুত্রের বিবাহে যে ‘প্রোসেসন দেখিয়াছিলাম, এরূপ