পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/২৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩ । ব্যবসায়ে বাঙালী চলিতে পারে না। কিন্তু এই সমস্ত ব্যবসায় দ্বারাও কি কেহু উদরায়ের ংস্থান করিতে পারিতেছে ? কলিকাতার ঘরভাড়া, লাইসেন্স, ট্যাক্স, হোটেলের খোরাকী ইত্যাদিতে খুব কম পক্ষে মাসিক ৩৫২ টাকা আয় না হইলে এরূপ একটি ব্যবসার ব্যয় সঙ্কুলান হয় না। এই ব্যয়-সঙ্কুলানের পর যদি কিছু উদ্ধৃত্ত থাকে, তবেই তো লাভ। কিন্তু একটু খবর লইলেই জানা যাইবে যে, এক পল্লীতে ২৪টি দোকান ছাড়া অধিকাংশ দোকানেরই মাসিক আয় হইতে ব্যয়-সস্কুলান হয় না, কাজেই অল্পকালের মধ্যেই দোকানদারেরা তাহাদের কষ্ট-সঞ্চিত মূলধন হারাইয়া কারবার গুটাইয়া পলায়ন করিতে বাধ্য হয়। এদিকে কলিকাতার বাড়ীওয়ালার কিন্তু ঘর খালি পড়িয়া থাকে না। আজ যে-ঘরে ধোপার দোকান দেখিতেছি, দু’ মাস পরেই সেই ঘরে নাপিতের দোকান দেখিতে পাই। আবার কিছুদিন পরে দেখিতে পাই, সেই ঘরেই হারমোনিয়ম মেরামত হইতেছে। এক বৎসরের মধ্যে একই ঘরে অস্ততঃ পক্ষে ৩৪ রকমের কারবার চলিতে দেখা যায়। ইহা হইতে সহজেই অনুমান করা যায় যে, বাংলার যুবক-সম্প্রদায় কোন কাজেই সুবিধা করিয়া উঠিতে পারিতেছে না । =iांटऍञद्ध न्त्र्द्ध ৫৭ বৎসর পূৰ্ব্বে পাটের চাষ ছিল বাংলার.একটা প্রচুর আয়ের ব্যাপার। যতদিন পাটের দর ছিল, ততদিন জমিদার, চাষী, মধ্যবিত্ত প্রভৃতি সকল শ্রেণীর মধ্যে অর্থ-কষ্ট এত প্রবল আকার ধারণ করে নাই। কারণ দেশের মধ্যে অর্থাগম হইলে, তাহা ঠিক একস্থানে আবদ্ধ হইয়া থাকে না । নানা উপায়ে উহা সকল শ্রেণীর মধ্যে ছড়াইয়া পড়ে। বিশেষতঃ আমাদের দেশের চাষীরা হাতে টাকা পাইলে, তাহা কোন প্রকারেই সঞ্চয় করিয়া রাখিতে জানে না । পাটের মণ যে বৎসর