পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/৬৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্যবসায়ে বাঙালী ९२ হুগশদ্যাল ব্যাঙ্ক জেলের প্রতিক্রিক্স। বেঙ্গল ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ফেল হওয়ার পর হইতে বাঙালী-পরিচালিত প্রতিষ্ঠান মাত্রেরই উপর জনসাধারণের একটা অশ্রদ্ধার ভাব জন্মিয়াছে ; ইহা অস্বাভাবিক কিছু নহে। কিন্তু মুষ্টিমেয় কয়েকজন লোকের অপটুতা ও বিশ্বাসঘাতকতার ফলে যাহা ঘটিয়া গিয়াছে, তাহাকেই নজির করিয়া এই জাতি যদি চিরদিনের জন্য হাত-পা গুটাইয়া বসিয়া থাকে, তবে বাঙালী কোনদিনই আত্মনির্ভরশীল হইতে পারিবে না । দস্থ্য-তস্কর কর্তৃক অনেক সময় অনেকে হৃতসৰ্ব্বস্ব হয়, কিন্তু তাই বলিয়া কি কেহ একেবারে ভগ্নোৎসাহ হইয়া কাজ-কৰ্ম্ম বন্ধ করিয়া দেয় ? বাঙালী একবার প্রবঞ্চিত হইয়াছে বলিয়া বারবারই প্রবঞ্চিত হইবে, এমন কি কথা আছে ? ব্যবসায়ক্ষেত্রে বাঙালীকে স্বপ্রতিষ্ঠিত করিয়া যদি জাতিকে দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তিতে দাড় করাইতে হয়, তবে বাঙালীকে আর একবার ত্যাগ-স্বীকার করিয়া জাতীয়-প্রতিষ্ঠানে সাহায্য করিতে অগ্রসর হইতে হইবে। প্রথম প্রথম হয়তো দ্বিধা আসিবে, অবিশ্বাসের দ্বন্দ্ব মনকে পীড়িত করিয়া তুলিবে, কিন্তু সে সকলকে আমল দিলে চলিবে না—সাহসে নির্ভর করিয়া বাংলার জনসাধারণের বাঙালীকে আবার পরীক্ষার স্বযোগ প্রদান করিতে হইবে। নতুবা এ জাতি চিরদিনই পঙ্গু হইয়া জীবন যাপন করিবে। তারপর এক-আধটা ব্যাঙ্ক ফেল হইলে কি আসে যায় ? কৰ্ম্মচারীর বিশ্বাসঘাতকতায় অনেক সময় অনেক কারবারইতো নষ্ট হইতে দেখা যায়। গরম দুধ খাইতে গিয়া যদি একবার শিশুদের মুখ পুড়িয়া যায়, তবে অতঃপর দুধের বাটি দেখিলেই তাহারা মুখ ফিরাইয়া লয়, তথাপি শিশুকে বাচাইবার জন্ত জোর করিয়াই দুধ খাওয়াইতে হয়। আজ জাতিকে রক্ষা করিতে হইলে তাহদের শত ফাট-বিচূতি ক্ষমা করিয়া. আবার তাহাদিগকে উঠিবার স্বযোগ দিতে হইবে। ব্যবসায়ে বাঙালীর একদিন পতন