পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/৭৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


§st * ব্যবসায়ে ৰtঙtঙ্গী কথা—এ লজ্জা, এ কালিমা তাহাকে মুছিয়া ফেলিতেই হইবে। যে-কোন প্রতিষ্ঠান—স্কুদ্র হউক আর বৃহৎ হউক, জাতির স্বার্থবিবেচনায় বাঙালী যদি ইহাকে দরদ দিয়া সহায়তা করিতে অগ্রসর হয়, এ জাতির পুনরুখান হইতে দেরী লাগিবে না। ইংরাজ-জাতির কয়েকটি লোক প্রথম ভারতবর্ষ পরিদর্শনে আসেন। তাহাদের একজন নবাবের কন্যাকে চিকিৎসা করেন । নবাব তাহাকে লক্ষ মূদ্র পুরস্কার দিতে চাহেন, কিন্তু তিনি উক্ত লক্ষ মুদ্রা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করিয়া ভারতবর্ষে স্বজাতির ব্যবসায় করিবার অনুমতি প্রার্থনা করিয়া লন । ইহাই ভারতে ইংরাজ রাজত্বের সূত্রপাত। ষেজাতির লোক ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিয়া জাতির কল্যাণের জন্য এত বড় ত্যাগ করিতে পারে, সে মহান জাতি পৃথিবী জুড়িয়া রাজত্ব করিবে না তো করিবে কি বাঙালী ! বাংলার জুট মিলওয়ালা এবং ভারতের বাহিরের মিলওয়ালাদিগের ব্যবসায় পরিচালনে আবশ্বকাচুযায়ী পাট খরিদ করিতেই হুইবে । বাংলার প্রতি জেলায় পূৰ্ব্বোক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান যদি পেশাদার ব্যবসায়ীদের পাট-খরিদের ব্যাপারে কতকট বাধা দিতে পারে, তাহা হইলে তাহারা বুঝিবে যে, জাতির মধ্যে সাড়া আসিয়াছে—নিজেদের লাভের হার কমাইয়া কিছু অংশ ছাড়িয়া না দিলে আর চলিবে না । এতদিন যাহারা বাংলার উৎপন্ন পাট নামমাত্র মূল্যে খরিদ করিয়া অসম্ভব লাভ করিয়াছে, একটা বাস্তব বাধা সৃষ্টি করিতে না পারিলে, শুধু বাংলার ব্যবস্থা-পরিষদে বাজার দর-নিয়ন্ত্রনের আবেদন-নিবেদন জানাইয়া কোন ফল হইবে বলিয়া আমি মনে করিতে পারিনা। পাটের লাভ মধ্যশ্রেণীর ব্যবসায়ীদের অপেক্ষ মিলওয়ালারাই বেশী ভোগ করিয়া থাকে। কারণ তাহারা জানে যে, পাটের খরিদার একমাত্র তাহারাই এবং বাংলার নিরক্স কৃষক-সম্প্রদায় উহা বিক্রয় না করিয়া (t