পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্যবসায়ে বাঙালী ፄ8 আদায়ের চেষ্টা করিতে হইবে। এ অবস্থায় কারবারের খরচপত্র যতদূর সম্ভব কমাইয়া দিতে হইবে । খরচপত্র কমাইতে না পারিলে আরও জড়িত হইয়া পড়িতে হয়।

  • द्विद्धक्रोंऽत्र चळ७”Gद्म =वग्न्वद्य।

প্রত্যেক ব্যবসায়ীর উচিত, কারবারে যখন লাভ হইতে থাকে, লাভের টাকার সিকি পরিমাণ কোম্পানীর কাগজে অথবা সেভিংব্যাঙ্কে পৃথকভাবে স্থায়ী আমানত রাখা। পারতপক্ষে সেই টাকা তুলিতে নাই। যদি কোন সময় কারবারে অর্থসঙ্কট উপস্থিত হয়, তখন উহার দ্বারা অসামান্ত উপকার হয়। বড় বড় মাৰ্চেণ্ট অফিসের রীতি— তাহারা প্রতি বছরের মুনাফার টাকার কতকাংশ রিজার্ভ ফওে ঐভাবে মজুত রাথিয়া দেয়। কোন সময় ব্যবসার অবস্থা খারাপ হইলে, উক্ত টাকার স্বদ হইতে অনায়াসে ব্যবসা বজায় রাখা যায়। আমাদের বাঙালী ব্যবসায়ীদের এ সম্বন্ধে ধারনা কম—অনেকটা দূরদর্শিতারই অভাবে, সন্দেহ নাই। বাঙালী ব্যবসায়ীরা ব্যবসায় করিয়া যদি দু’পয়সা হাতে পায়, তবে হয় তাহার দ্বারা নূতন নূতন কারবার আরম্ভ করিয়া দেয় কিম্বা বাড়ী-ঘর-সম্পত্তি খরিদ করিয়া অস্থায়ভাবে টাকা আবদ্ধ করিয়া ফেলে। তাহাতে ব্যবসার সচ্ছলতা नहे झग्न । w যে-ব্যবসায়ে উত্তরোত্তর উন্নতি হয়, ভবিষ্যৎ ভাবিয়া তাহার বাৰ্ষিক মুনাফার সিকি পরিমাণ টাকা যদি গবর্ণমেণ্ট পেপারে' রাখা যায়, এবং উক্ত টাকার স্বদের দ্বারা যদি ব্যবসার ঘর ভাড়া, কৰ্শ্বচারীর বেতন প্রভৃতির কতকাংশ সস্কুলান হয়, তাহা হইলে একমাত্র অংশীদারদিগের মনোমালিন্ত ছাড়া সে ব্যবসায় নষ্ট হওয়ার কোন আশঙ্কাই থাকে না । ,