ভারতের শিল্প-কথা
স্থাপত্যকলা
শিল্পকলার বিষয় বলতে গেলে প্রথমেই বাস্তু-শিল্পের কথা আসে। কেন না, আধার না থাকলে যেমন কিছু রাখা যায় না, তেমনি স্থাপত্য না হ’লে ভাস্কর্য বা চিত্রকলারও ঠাঁই নেই। তাই উরোপে ‘স্থাপত্য’, ‘ভাস্কর্য্য,’ ও ‘চিত্রকলা’কে ‘তিন-ভগ্নী’ (Three sisters) বলা হয়। আদিম প্রস্তর যুগের কথা যদি আমরা ভাবি তো দেখব তখন হ’তেই মানুষকে গ্রীষ্ম বর্ষা থেকে আত্মরক্ষা করবার জন্যে কখনো বা ঘরের বাইরে কখনো বা ঘরের মধ্যে, খোলা যায়গায় বাস করতে হচ্চে। আজ যে আমরা আমেরিকায় পঞ্চাশতলা বা একশতলা বিরাট সৌধাবলী দেখছি, সেগুলির জন্যে আদিম যুগ হ’তে মানুষকে যে কত অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে হয়েচে, তার ইয়ত্তা নেই।
দেশ প্রধানতঃ গ্রীষ্মপ্রধান বা শীতপ্রধান হয় এবং সেইমত সেই সব দেশের আবাসেরও সংস্কার করতে হয়েচে যুগে যুগে। পৃথিবীতে এখনো এমন জাতি আছে, যারা এখনো সেই আদিম প্রস্তর যুগের মতই বাসা বেঁধে বাস করচে; দৃষ্টান্তস্বরূপ নাগা, কুকী প্রভৃতি আদিম জাতিদের কথা বলা যেতে পারে। আবার হাঘরে জাতি আছে, যারা আজ পর্য্যন্ত বাসাই বাঁধলে না―শিবিরে (তাঁবুতে) বাস ক’রে দেশে দেশে ঘুরে ঘুরেই জীবন কাটাচ্চে। এরূপ