করেন। তিনিই বৌদ্ধ সঙ্ঘগুলি নষ্ট করায় বৌদ্ধেরা দেশ ছাড়া হন। এতকাল পর্য্যন্ত বৌদ্ধেরা মোগল-চিত্রকলা
১৫৫০-১৮০০ খৃঃ। হিন্দুদের দেবতাদের মেনে নিয়ে মহাযানধর্ম্মপালনে রত ছিলেন। ১১৮৫ খৃষ্টাব্দে কুতব সব শেষে পাটনা থেকেও বৌদ্ধদের তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। আজমীরে কুতবের তৈরী আড়াই দিনকা ঝোপ্রা প্রথম মোগল-অধিকারেরই নিশানস্বরূপ এখনো বর্ত্তমান আছে। মোগলদের-ভারত অভিযানের গোড়ার ইতিহাস যেমনি হৌক না কেন, রাজ্য-স্থাপনের পর ধীরে ধীরে তাঁরা স্থানীয় কৃষ্টির সঙ্গে এমন যোগযুক্ত হয়ে পড়েছিলেন যে তাঁদের বাদ দিলে শিল্প-ইতিহাসের অনেক কিছু ভাল জিনিষই বাদ পড়ে।
মোগল-চিত্রকলাকে “হিন্দু-ইরাণী” শিল্পকলা বলা যেতে পারে। কেননা ইরাণের তৈমুরী বংশের-রাজারাই মোগল সাম্রাজ্য এদেশে স্থাপনা করেছিলেন। এই তৈমুরী বংশধরেরাই যে চিত্র-শিল্পে বিশেষ অনুরক্ত ছিলেন তা’ ইরাণের পূর্ব্ব অঞ্চলে তাঁ’দের অধীনস্থ স্থানের প্রাচীন চিত্রকলাগুলি দেখলে বেশ স্পষ্ট বোঝা যায়। সম্রাট বাবর যে সুবিখ্যাত ইরাণী শিল্পী বায়জাদকে বিশেষ সম্মান করতেন তা’ তাঁ’র রোজনামচা কেতাব (বাবরনামা) থেকে জানা যায়। এই বায়জাদেরই শিষ্য খোজা আবদুল সামাদকে সিরাজ থেকে মোগল-দরবারে সম্রাট আকবর আনিয়াছিলেন। এই শিল্পীর সঙ্গে আকবরের দরবারে এক সঙ্গে কাজ করতেন অনেক হিন্দু শিল্পীরা। তাঁদের মধ্যে বেশ নামজাদা শিল্পী ছিলেন কেশবদাস, বিষ্ণু, যশবন্ত। এঁরা আকবরের হুকুমে